Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sushanta Ghosh

নিজের লেখা বইতে দলবিরোধী কথা, প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষকে সাসপেন্ড করল CPM

বরখাস্ত নয় কেন? দলের অন্দরেই উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২০, ২২:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২০, ২২:৫২

options
link
নিজের লেখা বইতে দলবিরোধী কথা, প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষকে সাসপেন্ড করল CPM zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: তিন পা এগিয়ে দু পা পিছিয়ে যাওয়া। সুশান্ত ঘোষের ক্ষেত্রে সাহসী হতে পারল না সিপিএম! বরখাস্ত নয়। প্রাক্তনমন্ত্রী সুশান্ত ঘোষকে (Sushanta Ghosh) তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করল সিপিএম (CPM)। তাঁর লেখা বইতে দলবিরোধী কথা লেখা ও হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে দলের এই সিদ্ধান্ত বলে আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর। যদিও দলের তরফে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি তাঁর। আবার দলে গুরুত্ব বাড়ল বিকাশ ভট্টাচার্যর। সাংসদ করে রাজ্যসভায় পাঠানোর পর এরার সিপিএম রাজ্য কমিটির বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য করা হল এই আইনজীবী নেতাকে। শুক্রবার পার্টির রাজ্য কমিটির ভারচুয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পার্টি ক্ষমতায় থাকার সময় থেকেই বিতর্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে তাঁকে। একসময় গড়বেতার বেতাজ বাদশা হয়ে ওঠেন। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর বেনাচাপড়া কঙ্কালকাণ্ডে গ্রেপ্তারর হন তিনি। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর দলের সঙ্গে কার্যত সম্পর্ক বিচ্ছেদ করেন তিনি। বই লেখার কাজে হাত দেন। ‘বামফ্রন্ট জমানার শেষ দশ বছর’ শীর্ষক একটি বই লিখে পার্টির অন্দরে বিতর্কে জড়ান। তাঁর বিরুদ্ধে দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ ওঠে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটি তাঁকে বহিস্কারের সুপারিশ করে রাজ্য কমিটির কাছে। এরপরই কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য রামচন্দ্র ডোম ও আভাস রায়চৌধুরির ওপর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। গঠিত হয় কমিশন। করোনা আবহেও কমিশন কাজ চালিয়ে সুশান্ত ঘোষকে দোষী সাব্যস্ত করে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : রাজনৈতিক সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বীরভূম ও কোচবিহার, চলল গুলি-বোমা]

শুক্রবার কমিশনের রিপোর্ট রাজ্য কমিটির সভায় পেশ করা হয়। সেখানেই প্রাক্তন এই দাপুটে মন্ত্রীকে তিন মাসের জন্য বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অভিযোগ গুরুতর হওয়ার পরেও কেন তাঁর বিরুদ্ধে দলের শীর্ষনেতৃত্ব কড়া পদক্ষেপ নিতে পারল না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্ভবত দলীয় কর্মীদের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তার কথা ভেবেই বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা কঠোর হতে পারেননি বলে একাংশের ধারনা। সুশান্ত ঘোষ বলেন, “পার্টি আমাকে এখনও কিছু জানাইনি। তবে পার্টির আদর্শই আমার কাছে সবকিছু।” তাঁর সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদকণ্ডলীর সদস্য শ্যামল মাইতিকে পার্টি বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বহিস্কার করা হয় দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা কমিটির এক সদস্যকে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাধারন সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও। তিনি এরাজ্যে বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধারে বিরোধিতার পথে আন্দোলন চালানোর নির্দেশ দেন।

[আরও পড়ুন : ‘অনুব্রত মণ্ডল বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে পথ খোলা’, দলবদলের প্রস্তাব জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.