Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Habra

দোকান উচ্ছেদে রাতারাতি বেকার! ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে হাবরায় কমিউনিটি কিচেন বামেদের

'ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা', কটাক্ষ হাবরার বিজেপি বিধায়কের।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ১৫:০১

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ১৫:০১

options
link
দোকান উচ্ছেদে রাতারাতি বেকার! ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে হাবরায় কমিউনিটি কিচেন বামেদের zoom
হাবরায় কমিউনিটি কিচেন বামেদের
Advertisement

করোনাকালে রাজ্যবাসীর কাছে ‘মসিহা’ হয়ে উঠেছিল রেড ভলান্টিয়াররা। হকার উচ্ছেদের আবহে এবার দরিদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কমিউনিটি কিচেন খুলল বামেরা। হাবরার বহু ব্যবসায়ী রাতারাতি সর্বস্ব খুইয়ে পেটের তাগিয়ে হাজির হচ্ছেন সেখানে। সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন বিধায়ক সত্যসেবী কর বলেন, “আমরা পাশে ছিলাম, পাশে থাকব।”

পালাবদলের পর উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে রাজ্য সরকার। রেলের এলাকা দখল করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই অধিকাংশ স্টেশনে থাকা দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু স্টেশনে এখনও স্টল রয়েছে, তবে সেক্ষেত্রেও ডেডলাইন করেছে। নির্দিষ্ট দিনে ফাঁকা করে দেওয়া হবে সেগুলোও। গত সোমবার হাবরা প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন সংলগ্ন সমস্ত দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। বুলডোজার অভিযানের প্রতিবাদে সোচ্চার হয় এলাকার বাম নেতৃত্ব। কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি। ভেঙে দেওয়া হয়েছে সমস্ত দোকান। ফলে রাতারাতি বেকার হয়েছেন বহু মানুষ। অধিকাংশ গুমটি দোকানেই রোজ সামান্য যা আয় হত, তা দিয়েই কোনওক্রমে চলত সংসার। ফলে তাঁরা এখন জানেন না, কাল কী হবে! এই পরিস্থিতিতে নিজেদের মতো করে দরিদ্র ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াল বামেরা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, হাবরা স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় কমিউনিটি কিচেন চালু করা হয়েছে। অসহায় পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে রান্না করা খাবার। বামেদের এই উদ্যোগে খুশি অসহায় পরিবারগুলো। এ প্রসঙ্গে সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন বিধায়ক সত্যসেবী কর বলেন, “কমিউনিটি কিচেন চালু করা হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্থ হকার, ব্যবসায়ী এবং তাদের অসহায় পরিবারের জন্যই খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।কমিউনিটি কিচেন থেকে রান্নাকরা খাবার দেওয়া হচ্ছে। আমরা দলীয় ভাবে অসহায় পরিবারের পাশে আছি।”

যদিও বামেদের এই উদ্যোগকে ‘ঘোলা জলে মাছ ধরারা চেষ্টা’ বলেই কটাক্ষ করলেন হাবরার বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। তিনি বলেন, “রেলের উন্নয়ন হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। দেশ ও রাজ্য এগিয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে সিপিএম। হকারদের ঢাল করে প্রচারের আলোয় থাকতে চাইছে বামেরা।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.