Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
ED Raid

ভোটের মুখে কয়লা পাচারে সক্রিয় ইডি, তদন্তে নেমেই উদ্ধার নগদ কোটি টাকা, বিপুল সোনা! 

সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে কয়লা পাচার-কাণ্ডে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই আজ মঙ্গলবার আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া এলাকায় একযোগে অভিযান চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।

শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৮:৪৯

link
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৮:৪৯

options
link
ভোটের মুখে কয়লা পাচারে সক্রিয় ইডি, তদন্তে নেমেই উদ্ধার নগদ কোটি টাকা, বিপুল সোনা!  zoom
Advertisement

কয়লা পাচার-কাণ্ডে (Coal Scam) সকাল থেকে ফের অ্যাকশনে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid)। কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোলের একাধিক ঠিকানায় চিরুনি তল্লাশি শুরু করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। আর এই তল্লাশি চলাকালীন আসানসোলে জামুরিয়াতে বিপুল অঙ্কের নগদ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, নগদ প্রায় দেড় কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া বিপুল এই টাকা কয়লা পাচারের কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এর পিছনে হাওয়ালা যোগ থাকতে পারে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। 

সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে কয়লা পাচার-কাণ্ডে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই আজ মঙ্গলবার আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া এলাকায় একযোগে অভিযান চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। অভিযান চলে জামুরিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ব্যবসায়ী রাজেশ বনসালের বাড়িতেও। তল্লাশি চালানো হয় তাঁর দুই ছেলে সুমিত বনসাল ও অমিত বনসালের বাড়ি। পাশাপাশি পাঞ্জাবি মোড়ে অবস্থিত একটি হার্ডওয়্যার এবং ওই এলাকার একটি গুদামেও। দীর্ঘ এই তল্লাশিতেই ইতিমধ্যে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement

শুধু তাই নয়, তল্লাশি চলাকালীন বিপুল নগদও উদ্ধার হয় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির পিছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে। জানা যায়, তল্লাশি চলাকালীনই ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে বেশ কয়েকজন ব্যাঙ্ক কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে তিনটে মুখ বন্ধ বস্তা নিয়ে তদন্তকারীদের বের হতে দেখা যায়। বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে ওই বস্তা বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ওই বস্তার ভেতর টাকা আছে নাকি কোনও নথি আছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ইডির একটি সূত্রের দাবি, গোডাউনে চালানো তল্লাশিতে প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর সোনা। বিপুল এই টাকা কেন বাড়ির গুদামে ওই ব্যবসায়ী রেখেছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।  উদ্ধার হওয়া বিপুল এই টাকা কয়লা পাচারের কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকী হাওয়ালাযোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তল্লাশি চলাকালীন বিপুল নগদও উদ্ধার হয় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির পিছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে।

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, কয়লা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত রাজেশ বনসালরা। তবে সরাসরি তাঁরা টাকা লেনদেন করে না। লেনদেনে মিডিয়াটারের কাজ করত রাজেশ বনসালের ট্রেডিং সংস্থা। এমনকী কয়লা কারবারে বনসালরা অ্যাকাউন্ট ভাড়া দিত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। আর এভাবে কত টাকা লেনদেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে ইডি। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া বিপুল এই টাকার সঙ্গে কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.