ধীমান রায় ও সৌরভ মাজি: চাপে পড়ে এবার কাটমানির টাকা ফেরত দিলেন বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকার তৃণমূল নেতারা। জানা গিয়েছে, সোমবার পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের শিবলুন গ্রামের তৃণমূল কর্মীরা কাটমানির ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। অন্যদিকে, কাষ্ঠকুড়ুম্বা গ্রামের ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার ও তাঁর সঙ্গীরা ফেরত দিয়েছেন প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। দীর্ঘদিন পর টাকা ফেরত পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।
[আরও পড়ুন: গলাধাক্কা খেয়ে হাসপাতালের বাইরে মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী, পরে শুরু চিকিৎসা]
মুখ্যমন্ত্রী কাটমানি ফেরতের নির্দেশের দেওয়ার পর থেকে টাকা ফেরতের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে বিজেপি। একইভাবে কাটমানি ফেরতের দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকা। সরকারি আবাস যোজনার নামে স্থানীয়দের থেকে কাটমানি আদায়ের অভিযোগ ওঠে শিবলুনের তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিবার রাতে কেতুগ্রামের শিবলুন গ্রামে সালিশি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই পাঁচ তৃণমূল কর্মী কাটমানির টাকা ফেরত দেন। টাকা ফেরত পাওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম মাঝি, মিতা কোনাইরা বলেন, “জোর করে আমাদের থেকে কাটমানি নেওয়া হয়েছিল। দলের নেতাদের ভয়ে কিছু বলতে পারিনি।” এ প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমানের বিজেপি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনিল দত্ত বলেন, “আগে ভয়ে কেউ মুখ খোলেনি, কিন্ত এখন বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি হয়েছে, তাই সকলে সাহস পাচ্ছেন।”
একই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানের কাষ্ঠকুড়ুম্বা গ্রামেও। অভিযোগ, রাস্তা তৈরির নামে বেশ কিছুদিন আগেই স্থানীয়দের থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার তপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু সেই রাস্তা তৈরি হয়নি। এরপরই কাটমানি ফেরতের দাবিতে সরব হন স্থানীয়রা। পরে সোমবার সকালে স্থানীয়দের চাপে পড়ে ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ফেরত দেন অভিযুক্তরা। তবে এখনও সকলে নিজেদের প্রাপ্য পুরো টাকা ফেরত পাননি।
[আরও পড়ুন: মৃত্যুর দু’ঘণ্টার মধ্যেই মিলবে ডেথ সার্টিফিকেট, শীঘ্রই ঘোষণা স্বাস্থ্য দপ্তরের]
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?