অংশুপ্রতীম পাল, খড়গপুর: আরপিএফের এক এএসআইয়ের মৃতদেহ ঘরে উত্তপ্ত হল খড়গপুর ডিভিশনের নিমপুরা আর ইয়ার্ড। বুধবার দুপুরে দুটি রেল লাইনের মাঝখান থেকে খড়গপুর জিআরপি মৃতদেহটি উদ্ধার করে। রেল পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম ডি কে পান্ডা। তবে তাঁর মৃত্যু কীভাবে হল, তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ডি কে পান্ডা খড়গপুর স্টেশন লাগোয়া বোগদা এলাকায় আরপিএফের খড়গপুর টাউন পোস্টে কর্মরত ছিলেন। রেলনগরী খড়গপুর শহরের সাউথ সাইড এলাকায় একটি রেল কোয়ার্টারে থাকতেন। কোয়ার্টারে থাকত তাঁর পরিবারও। বাড়ি ও কর্মস্থল থেকে প্রায় আট কিমি দূরে নিমপুরা আর ইয়ার্ড। সহকর্মীদের মতে, তাঁর ওই স্থানে যাওয়ার কোনও কথাই নয়। তাই নিমপুরার কাছে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়েছিলেন না কেউ তাঁকে খুন করে সেখানে ফেলে রেখে গিয়েছে, তা নিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য। যদিও ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রাথমিক অনুমান রেল পুলিশের।
[ আরও পড়ুন: সম্পর্ক না মানায় কিশোরীকে ‘খুন’, প্রেমিকের পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ ছাত্রীর বাবা-মা ]
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরপিএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ঘটনাটি আত্মহত্যা। তবে কীভাবে আত্মহত্যা করেছেন তা স্পষ্ট নয়। আর কেন আত্মহত্যা করেছেন সেটা তদন্ত শুরু হলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে মৃতদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা। ডি কে পান্ডার এলাকায় ও কর্মস্থানে যথেষ্ট সুনাম ছিল। তবে যদি এই ঘটনা আত্মহত্যা হয়, তবে তার পিছনে পেশাগত ও ব্যক্তিগত কারণ খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
[ আরও পড়ুন: কয়লাঘাটার রেলদপ্তরে করোনার থাবা, আক্রান্ত প্রবীণ কমার্শিয়াল ক্লার্ক ]
সর্বশেষ খবর
-
ঋতব্রত-শিবিরের স্বাধীনতা উদযাপনে হঠাৎ হাজির কুণাল! তারপর…
-
পৃথিবীর মতো মহাকাশেও বর্জ্য পদার্থ, অদৃশ্য যানজট রুখতে নীরব প্রহরী চিলবোল্টনের বিশাল রাডার
-
বরাবরই চর্চিত নমোর শিরসজ্জা, এবার লালকেল্লায় মোদির পাগড়িতে কোন বার্তা?
-
‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ রিভিউ: রক্ত গরম করা সংলাপ, দক্ষিণী ধাঁচের অ্যাকশনে জমল জিতের ছবি
-
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর