Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

জীবিত মামিকে ‘মৃত’ দেখিয়ে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্র প্রদান করে বিপাকে প্রাক্তন প্রধান ও বিএলআরও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১৪:০৯

options
link
জীবিত মামিকে ‘মৃত’ দেখিয়ে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ zoom

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: জীবিত মামিকে ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে মৃত প্রতিপন্ন করে সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল খোদ ভাগ্নির বিরুদ্ধে। আর ভুয়ো শংসাপত্র প্রদান করে বিপাকে প্রাক্তন প্রধান ও বিএলআরও। সুবিচারের আশায় ভাগ্নি মৌসুমি রায়ের বিরুদ্ধে ফরাক্কা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন প্রতারিত মামি শাশ্বতী দাস। অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসল ফরাক্কা পুলিশ। মৌসুমী রায়কে প্রতারণায় মদত দেওয়ার অভিযোগে ফরাক্কার বিএলআরও তরুণকুমার দাস ও অর্জুনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান বিশাখা মণ্ডল-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে ফরাক্কা পুলিশ। এখানেই থেমে নেই পুলিশ। বীরভূমের সিউড়ির বাসিন্দা মৌসুমির খোঁজে রওনা দিয়েছে পুলিশ। তলব করা হয়েছে বিএলআরও কর্তা এবং পঞ্চায়েত প্রধানকে। তবে পঞ্চায়েত প্রধান এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তবে কাজে পদ্ধতিগত ভুল হয়েছে বলে মেনে নিয়েছেন বিএলআরও।

[যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিকে ভয় পায় না শেয়ার বজার, জানেন কেন?]

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরাক্কার অর্জুনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের শিবনগরের বাসিন্দা শাশ্বতী দাস। স্বামী-পুত্র নিয়ে ভরা সংসার। তাঁর বাড়ি লাগোয়া ১০৭৭ খতিয়ান ও ২১১ নম্বর দাগে ১.১৩ একরের বাগান রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। সেই বাগানের মালিক শাশ্বতী দেবী। কিন্তু এই বাগান নিয়ে ছিল দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিবাদ। সেই বিবাদের জেরে শাশ্বতী দেবীকে ২০ বছর আগে মৃত দেখিয়ে নথিপত্র বদল করে সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাগ্নি মৌসুমি রায়ের বিরুদ্ধে। শাশ্বতী দেবী যে মারা যাননি তা প্রমাণ করতে স্বশরীরে তিনি ফরাক্কা থানায় হাজির হন। ফরাক্কা ব্লকের বিএলআরও তরুণকুমার দাস, ব্লকের রেভিনিউ অফিসার সুব্রত মির্ধা, অর্জুনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান বিশাখা মণ্ডল-সহ সাত জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

মৌসুমি রায়ের জমা দেওয়া জাল নথিপত্রে নির্দ্বিধায় সিলমোহর দিয়েছেন ব্লকের বিএলআরও তরুণ দাস এবং রেভিনিউ অফিসার সুব্রত মির্ধা। এপ্রসঙ্গে বিএলআরও তরুণ দাস জানান, “অর্জুনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিশাখা মণ্ডলের একটি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। সেই শংসাপত্রে বলা হয়েছে শাশ্বতী দেবী মারা গিয়েছেন ২০ বছর আগে। সেই শংসাপত্রের ভিত্তিতে নথিপত্রে সিলমোহর দেওয়া হয়েছিল। শাশ্বতী দেবী জীবিত না মৃত তা যাচাই করা উচিত ছিল। সেটা ভুল হয়ে গিয়েছে।” শাশ্বতী দেবীর অভিযোগ, “সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ থাকতেই পারে। সেটা সমাধানের জন্য আদালত রয়েছে। তাই বলে আমাকে মৃত দেখিয়ে পুরো সম্পত্তি দখল করে নেবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমার তো মনে হয় এই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে বিএলআরও অফিসের দুই কর্তা ও জড়িত আছেন।”

[গুরুতর অসুস্থ বীণাপাণি দেবী, ভরতি এসএসকেএমে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.