BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাশের ঘরে পুড়ছে বৃ্দ্ধ বাবা, নেশায় বেহুঁশ ছেলে আর বউমা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 16, 2017 2:38 pm|    Updated: September 19, 2019 12:15 pm

An Images

আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু। আর তা ঘিরেই চাঞ্চল্য ছড়াল টিটাগড় থানার অন্তর্গত বারাকপুর এস এন ব্যানার্জি রোডের চার্নক ফাঁড়ি এলাকায়। মৃতের নাম জগৎজ্যোতি দে। বয়স ৬২ বছর। শনিবার ভোরবেলা ঘটনাটি ঘটেছে।

[কাঠ পাচারের নয়া কৌশল, জঙ্গলের কাঠ কেটে বাড়ি বানিয়ে নিলাম!]

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরবেলা এলাকার এক ধোপা রাস্তা দিয়ে তাঁর দোকানে যাবার সময় ওই ব্যক্তির বাড়ির জানলা দিয়ে আগুন বেরোতে দেখেন। তাঁর চিৎকারেই আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এরপর সবাই মিলে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে টিটাগড় থানার পুলিশ ও দমকলের একটি ইঞ্জিনও। পিছনের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পুলিশ ও দমকল জগৎজ্যোতিবাবুর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপরই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, মৃত বৃদ্ধ হিন্দমোটরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় পাশের ঘরে অঘোরে ঘুমোচ্ছিলেন তার একমাত্র পুত্র পেশায় পরিবহন ব্যবসায়ী সায়ন্তন দে ও পুত্রবধূ মৌমিতা। অনেক ডাকাডাকির পর তাঁরা দরজা খুলে বের হয়।

[ফের দিঘার মোহনায় বিশালকার মাছ, নিলামে রেকর্ড দর]

যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, জগৎজ্যোতিবাবুর ছেলে এবং বউ রাতে মদ্যপান করে বেহুঁশ হয়ে ঘুমিয়েছিলেন। অনেক ডাকাডাকির পর হুঁশ ফিরলে তাঁরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। মৃত জগৎজ্যোতিবাবুর পুত্র মদ্যপানের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। জানান, শুক্রবার রাতে নিজের ঘরেই একটি পার্টির আসর বসিয়েছিলেন তিনি। পার্টিতে মদ্যপানও করেন। এরপর পার্টি শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। তাই পাশের ঘরে ঘটনা ঘটলেও তাঁদের কানে আসেনি। এদিকে, মৃতর পুত্র ও পুত্রবধূকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের ঘরের খাট, আলমারি-সহ সমস্ত কিছু পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। খুন না আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মৃত জগৎজ্যোতিবাবু ও তাঁর পরিবারের কেউ পাড়ার কারও সঙ্গে খুব বেশি মিশতেন না। বেশ কয়েকবছর ধরে একই বাড়িতে বসবাস করলেও জগৎজ্যোতিবাবু এবং তাঁর পুত্র ও পুত্রবধূ আলাদা খাওয়া-দাওয়া করতেন। আর এখানেই পুলিশে মনে জাগছে সন্দেহ।

[নাবালিকার বিয়ে রুখতে গিয়ে পুলিশি হেনস্তার শিকার বিডিও]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement