১৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: চিকিৎসককে মারধরের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল পুরুলিয়ার দেবেন মাহাত গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অশান্তি রুখতে নেওয়া হল একগুচ্ছ পদক্ষেপ। পুরুলিয়ার জেলাশাসক রাহুল মজুমদার ও পুলিশ সুপার এস. সেলভামুরুগন ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোগীর পরিজনদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ জারি করা হল। রোগীর অ্যাটেনডেন্ট-সহ ভিজিটার্সদের জন্য নতুন করে চালু হচ্ছে কার্ড। আর কোনওভাবেই রোগীর বাড়ির লোকজন হাসপাতালের ওয়ার্ডে বসে খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন না বলেও জানাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।  

নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোগী ভরতির সময় তিন জন, অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে হাসপাতালের ওয়ার্ডে একজন ও ভিজিটার্স হিসাবে একটি কার্ডের ভিত্তিতে একজন করে রোগীকে দেখতে পাবেন। এই হাসপাতালে বর্তমানে তিনবার করে রোগীর সঙ্গে দেখা করা যায়। এবার থেকে সাক্ষাতের সংখ্যা কমিয়ে দু’বার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেলা এগারোটা থেকে দুপুর একটা এবং বিকাল চারটে থেকে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত সাক্ষাৎয়ের সময় ধার্য করা হয়েছে। রোগীর পরিজনদের ভিড় ঠেকাতে জরুরি বিভাগ থেকে হাসপাতালের দোতলায় যাওয়ার আগেই দরজা বসানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে জরুরি বিভাগের পাশে থাকা পুলিশ চৌকিতে চব্বিশ ঘন্টা যাতে সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায় সেই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জেলাশাসক রাহুল মজুমদার বলেন, “একগুচ্ছ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তা কার্যকর হবে।”

[আরও পড়ুন: প্রসবের সময় কুকুরকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় নয়া মোড়, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত মহিলা]

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে একজন রোগী মারা যান। বিনা চিকিৎসায় তিনি মারা গিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালে তুমুল বিক্ষোভ দেখান নিহতের পরিজনেরা। এক চিকিৎসককে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। আর তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চিকিৎসক, সেবিকা-সহ স্বাস্থ্যকর্মীরা। তবে এবিষয়ে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ নেয়। পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। সেদিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালে রোগীর পরিজনদের আনাগোনার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশা, রোগীর পরিবার পরিজনের যাতায়াতে খানিকটা লাগাম টানা গেলে সেভাবে আর অশান্তি হবে না।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং