Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
Debraj Chakraborty

শ’খানেক টাওয়ার লোকেশন, ৭ দিনে কালিম্পং থেকে অযোধ্যা পাহাড়তলির বহু ডেরা বদল দেবরাজের!

তদন্তকারীদের দাবি, ঝাড়খণ্ডের যে শিল্পপতির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, সেখানেই গা ঢাকা দিতেন। সেই শিল্পপতি দেবরাজের স্ত্রী, প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির রাজারহাট- গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ছাব্বিশের ভোটে নির্বাচনে টাকা ঢেলেছেন।

Advertisement
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৬, ২০:২২

link
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৬, ২০:২২

options
link
শ’খানেক টাওয়ার লোকেশন, ৭ দিনে কালিম্পং থেকে অযোধ্যা পাহাড়তলির বহু ডেরা বদল দেবরাজের! zoom
গ্রেপ্তারির আগে কালিম্পং থেকে অযোধ্যা পাহাড়তলির বহু ডেরা বদল দেবরাজের! ছবি: ফেসবুক

টানা ৭ দিন। ২৫ শে জুন থেকে ১ জুলাই। বারবার ডেরা বদল করেছিলেন বিধানগর পুর নিগমের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকায় কখনও বড় হোটেল। আবার কখনও সাধারণ পর্যটক আবাসে কার্যত গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। যখন নিজের নেটওয়ার্কে বুঝতে পারলেন রাজ্য পুলিশের এসটিএফের স্ক্যানারে চলে এসেছেন তখনই অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকা ছেড়ে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির পথে পা বাড়িয়েছিলেন। সেখানকার এক শিল্পপতির সঙ্গে যোগাযোগে ঝাড়খণ্ডেই আপাতত ‘শেল্টার’ নিতে চেয়েছিলেন ধৃত দেবরাজ। অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকা থেকে ঝাড়খণ্ডে রাঁচি যাওয়ার পথে একেবারে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানা এলাকা যা পুরুলিয়ারই অন্তর্গত। সেখান থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজকে বুধবার বিকালে পাকড়াও করে এসটিএফ।

উত্তরবঙ্গের কালিম্পংয়ে একেবারে সাধারণ অতিথি হয়ে তিনি হোটেলে থাকলেও অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকায় যারা তাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন তারা সকলেই দেবরাজের পূর্ব পরিচিত। যার সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের একটা যোগ রয়েছে। কিন্তু সময় যত গড়াতে থাকে ওই অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকা ‘সেফ’ না মনে হওয়াতেই তিনি ডেরা বদলাতে যান। আর তখনই ধরা পড়ে যান বলে এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পরেই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে দেবরাজের বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত অর্থ, তোলাবাজি-সহ একাধিক মামলার তদন্তকারীদের হাতে। ঝাড়খণ্ডের যে শিল্পপতির সঙ্গে যোগাযোগে তিনি আপাতত ওই রাজ্যে গা ঢাকা দিতেন। সেই শিল্পপতি দেবরাজের স্ত্রী, প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির রাজারহাট- গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ছাব্বিশের ভোটে নির্বাচনে টাকা ঢেলেছেন। ফলে এই বিষয়টিকেও একেবারে হালকাভাবে দেখছেন না এই মামলার তদন্তকারীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁর সঙ্গে একজন তরুণ ছিলেন। তার ফোন ছাড়াও প্রায় একাধিক সিম থেকে বাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ রাখছিলেন দেবরাজ। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই তরুণ কে তা এখনই জানাতে চাইছেন না তদন্তকারীরা। গত ২৪ জুন কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ার পর নিজের পরিচিত মোবাইল নম্বর সুইচড অফ করে দিয়েছিলেন দেবরাজ।
এই ৭ দিনে দেবরাজের গতিবিধিতে প্রায় শ’খানেক টাওয়ার লোকেশন পান তদন্তকারীরা। সেই প্রযুক্তিগত সহায়তাতেই এসটিএফের জালে জড়িয়ে যান প্রায় ১২০০ কোটি টাকা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত দেবরাজ চক্রবর্তী। এখন তিনি ইডির নজরেও। দেবরাজের ডি সি গ্লোবাল নামে একটি কোম্পানির সমস্ত নথিপত্র ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। কেষ্টপুরের অভিজিৎ সাহা ছাড়াও প্রায় ১০ জন প্রোমোটার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে দেবরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.