Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
Rath Yatra Special train

রথযাত্রায় পুরী যাবেন? ভক্তদের জন্য বিশেষ ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের

আগামী ১৬ জুলাই রথযাত্রা। আর সেই সময়ে বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে বেরিয়ে পড়েন অনেকেই। গন্তব্য শ্রীক্ষেত্র। পুরীতে জগন্নাথদেবের দর্শনে যাওয়া ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য সুখবর দিল পূর্ব রেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৬, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৬, ১৬:৫৬

options
link
রথযাত্রায় পুরী যাবেন? ভক্তদের জন্য বিশেষ ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের zoom
রথযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ ট্রেন। ফাইল ছবি

আগামী ১৬ জুলাই রথযাত্রা। আর সেই সময়ে বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে বেরিয়ে পড়েন অনেকেই। গন্তব্য শ্রীক্ষেত্র। পুরীতে জগন্নাথদেবের দর্শনে যাওয়া ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য সুখবর দিল পূর্ব রেল। একাধিক নতুন ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • ০৩৪০৩ মালদহ টাউন-পুরী স্পেশাল মোট দু’টি ট্রেন চলবে। আগামী ১৪ এবং ২২ জুলাই মালদহ টাউন স্টেশন থেকে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ছাড়বে। পরেরদিন ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে ট্রেনটি পুরী পৌঁছবে।
  • ফিরতি পথে ০৩৪০৪ পুরী-মালদহ টাউন স্পেশাল চলবে ১৭ এবং ২৫ জুলাই। ট্রেনটি পুরী স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টায় ছাড়বে। পরেরদিন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মালদহ স্টেশনে পৌঁছবে।
  • যাত্রাপথে ট্রেনটি নিউ ফরাক্কা, পাকুড়, রামপুরহাট, সাঁইথিয়া, বোলপুর, শান্তিনিকেতন, বর্ধমান, ডানকুনি, আন্দুল, খড়্গপুর, বালেশ্বর, ভদ্রক, জাজপুর-কেওনঝড় রোড, কটক, ভুবনেশ্বর এবং খুরদা স্টেশনে থামবে। তার ফলে মালদহের পাশাপাশি অন্যান্য একাধিক জেলার যাত্রী উপকৃত হবেন।

মালদহ ডিভিশনের ডিআরএম মণীশকুমার গুপ্তা জানান, “রথযাত্রা উপলক্ষে ভক্ত ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। ট্রেনটি জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস, স্লিপার ক্লাস এবং এসি কোচের সুবন্দোবস্ত রয়েছে।” তবে কবে টিকিট বুকিংশুরু হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে বলেই জানান ডিআরএম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, রথযাত্রায় পুরীতে জগন্নাথ, সুভদ্রা, বলরামের তিনটি রথের আলাদা নাম রয়েছে। জগন্নাথের রথটির নাম নন্দীঘোষ, বলরামের রথটির নাম তালধ্বজ, সুভদ্রার রথের নাম দর্পদলন। শুধু নামই নয়, তিনটি রথের চাকার সংখ্যাও এক নয়। যেমন, জগন্নাথের রথের চাকার সংখ্যা ১৬, বলরামের রথের চাকার সংখ্যা ১৪, সুভদ্রার রথের চাকার সংখ্যা ১২।
এমনকী, প্রত্যেকটি রথের আলাদা রংও রয়েছে। বিষ্ণু অবতারের কথা মাথায় রেখেই জগন্নাথের রথের রং করা হয় লাল-হলুদ। এই দুই রং আসলে বিষ্ণুর পছন্দের রং। বলরামের রথের রং লাল-সবুজ। অন্যদিকে, সুভদ্রার রথের রং লাল ও কালো।

তিনটি রথে যে ঘোড়া ব্যবহার করা হয় তাদের রয়েছে আলাদা আলাদা নাম। জগন্নাথের রথের চারটি ঘোড়ার নাম শঙ্খ, বলহাকা, শ্বেতা, হরিদশ্ব। বলরামের চারটি ঘোড়ার নাম তীব্র, ঘোড়া, দীর্ঘশর্মা, স্বরনাভ। সুভদ্রার চারটি ঘোড়ার নাম রুচিকা, মোচিকা, জিতা ও অপরাজিত। শুধু আলাদা নাম নয়, ঘোড়ার রঙেও রয়েছে তারতম্য। জগন্নাথের রথের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় সাদা রঙের ঘোড়া, বলরামের রথের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় কালো রঙের ঘোড়া। সুভদ্রার ঘোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় লাল রঙের ঘোড়া। রথযাত্রায় জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা একা থাকেন না। তাঁদের সঙ্গে সহযাত্রী হিসেবে থাকেন অন্য দেব-দেবীও। যেমন, জগন্নাথের সঙ্গে থাকেন মদনমোহন, বলরামের সঙ্গে থাকেন রামকৃষ্ণ, সুভদ্রার সঙ্গে থাকেন সুদর্শনা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.