নন্দন দত্ত, বীরভূম: বৃহস্পতিবার বীরভূমের রামপুর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে৷ এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ৩০০ ডেটোনেটর, ১৯৩ জিলেটিন স্টিক-সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ৷ পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বারিক মোমিন৷
[পরিচিত যুবকের বাড়ি থেকে উদ্ধার কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ, চাঞ্চল্য বাগনানে]
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের বাড়ি রামপুর গ্রামে৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রামপুরে হানা দেয় মহম্মদবাজার থানার পুলিশ৷ অভিযান চালিয়ে ডেটোনেটর, জিলেটিন স্টিক-সহ বারিক মোমিন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলি পাথর খাদানে পাথর ফাটানোর কাজে ব্যবহার করার লক্ষ্য ছিল বলে জেরায় জানিয়েছে অভিযুক্ত৷
[সব ভাষাতেই রাজ্যের নাম হবে ‘বাংলা’, প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়]
কিন্তু, খাদান বিস্ফোরণ ঘটাতে ৩০০টি ডেটোনেটর, ১৯৩ জিলেটিন স্টিকের কেন প্রয়োজন পড়ল? বেআইনি খাদান বন্ধ করাতে যখন আগেই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট, ঠিক তখনই বেআইনি খাদানে বিস্ফোরণ ঘটাতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটানয় চিন্তা বাড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের৷ একই সঙ্গে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন পরিবেশ কর্মীরাও৷ কারণ, পরিবেশ বিধি ভেঙে একের পর এক বেআইনি খাদান গজিয়ে উঠছে৷ চলছে, বিস্ফোরণের কাজ৷ ফলে, ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে এলাকার বাস্তুতন্ত্র৷ অবৈজ্ঞানিক ভাবে বিস্ফোরণের জেরে প্রাকৃতিক পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে৷
[নামী কোম্পানির মোড়কে বিষ ঢুকছে কেক-বিস্কুটে, দুর্নীতিদমন শাখার অভিযানে পর্দাফাঁস]
এর আগে সীমান্ত লাগোয়া লিপিপাড়াতে বেআইনি ভাবে মজুত রাখা বিস্ফোরকের খাদানের মধ্যেই ঘটে বড় দুর্ঘটনা৷ বেঘোরে প্রাণ হারান ১০ জনের বেশি খনি শ্রমিক৷ বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটলেও খাদানে বেআইনি বিস্ফোরক মজুত রাখা বন্ধ করা যায়নি৷