Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ধূপগুড়ি গণধর্ষণ কাণ্ডে ৩ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশের নির্দেশ

জমি বিবাদেই কি গণধর্ষণ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ১২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ১২:৫১

options
link
ধূপগুড়ি গণধর্ষণ কাণ্ডে ৩ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশের নির্দেশ zoom

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: ধূপগুড়ি গণধর্ষণ কাণ্ডে তিন দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করার নির্দেশ দিলেন এডিজি(আইনশৃঙ্খলা) অনুপ শর্মা। ধূপগুড়ি থানার আইসি-র নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধূপগুড়ি গণধর্ষণের মূল অভিযুক্ত রাতনু এর আগেও একাধিক অপরাধমূলক কাজ করেছে। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলাও চলছে। রবিবারই রাতনু মুণ্ডা ও তার বন্ধ পরিমল রায়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর এক অভিযুক্ত সন্তোষ রায় পলাতক। এদিকে নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

[বিসর্জনে ডিজে বাজানোকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র জয়নগর, আক্রান্ত পুলিশ]

Advertisement

শনিবার, একাদশীর দিন সন্ধ্যায় ধূপগুড়িতে এক গৃহবধূ গণধর্ষিতা হন। ওই মহিলার স্বামী পেশায় দিনমজুর। ওই দম্পতির এক ছেলে। ঘটনার দিনে অবশ্য কেউই বাড়িতে ছিলেন না। নির্যাতিতার স্বামীর দাবি, রাতে বাড়ি ফিরে দেখেন, স্ত্রী নেই। রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাওয়া যায়নি। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ওই মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানান, গণধর্ষণের পর ওই মহিলার যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে নারকীয় অত্যাচার চলেছে। রবিবার দুপুরে নির্যাতিতাকে স্থানান্তরিত করা হয় জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে।

ঘটনার তদন্তে নেমে রাতনু মুণ্ডা ও পরিমল রায় নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। নির্যাতিতার ভাশুরের ছেলে রাতনু। পরিমল তার বন্ধু। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে একাই ছিলেন নির্যাতিতা। কথা বলার নাম করে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় রাতনু। গিলান্ডি নদীর পারে হাত-পা বেঁধে নিজের কাকিমাকে লাগাতার ধর্ষণ করে রাতনু ও তার দুই বন্ধু পরিমল রায় ও সন্তোষ রায়। রাতনু ও পরিমলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্তোষ পলাতক। কিন্তু, কেন এমন কাণ্ড ঘটনা ঘটাল অভিযুক্তরা? নির্যাতিতার স্বামী পুলিশকে জানিয়েছেন, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দাদার সঙ্গে তাঁর বিবাদ চলছিল। মূল অভিযুক্ত রাতনু মুণ্ডা আবার নির্যাতিতার ভাশুরের ছেলে। তদন্তকারীদের অনুমান, জমি বিবাদ নিয়ে আক্রোশের কারণে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেছে সে। বস্তুত, এর আগেও একাধিক অপরাধমূলক কাজের জন্য রাতনুর নাম জড়িয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মামলাও চলছে।

ছবি:  সুবীর এস

[ অমৃতসর কাণ্ডেও হুঁশ ফেরেনি, পুরভবনের ছাদেই রাবণ দহন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.