Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Housing scheme

সততার নজির! নিজেই গড়েছেন পাকা বাড়ি, আবাসের তালিকায় নাম কাটাতে চিঠি বিডিওকে

আনিসুরের সততায় খুশি প্রশাসনও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৪, ২০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৪, ২০:৫৭

options
link
সততার নজির! নিজেই গড়েছেন পাকা বাড়ি, আবাসের তালিকায় নাম কাটাতে চিঠি বিডিওকে zoom

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: আবাস যোজনার ঘর নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। অনেক ব্যক্তির পাকা ঘর থাকা সত্ত্বেও সরকারি ঘর পাওয়ার আবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহে সততার এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন ডায়মন্ড হারবারের বছর তিরিশের এক ব্যক্তি। নিজেই পাকা ছাদের বাড়ি তৈরি করার পর প্রশাসনের কাছে আবাস যোজনার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ওই যুবক।

ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের পাতড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মড়িগাছি গ্রামের বাসিন্দা ৩০ বছরের আনিসুর রহমান। বাড়িতেই টিউশন পড়ান। ২০১৮ সালে টালির চালের বাড়ি ছিল তাঁদের। সেজন্য ছবছর আগে আবাস যোজনার ঘর পেতে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। এর পর নিজেরাই আস্তে আস্তে ইটের দেওয়াল ও পাকা ছাদের বাড়ি তৈরি করেছেন। তবে পুরনো আবেদন অনুযায়ী, বর্তমান তালিকায় তাঁদের নাম উঠেছে। বর্তমানে তাঁদের পাকা ছাদের বাড়ি হয়ে যাওয়ায় বিডিওর কাছে রীতিমতো লিখিত আবেদনে জানিয়েছেন, ‘এখন তাঁরা ইটের দেওয়াল ঘেরা পাকা ছাদের বাড়িতে থাকেন। তাই তালিকা থেকে তাঁর নাম বাতিল করে দেওয়া হোক। পরিবর্তে তালিকায় গ্রামের প্রকৃত কোনও আশ্রয়হীন দরিদ্র বাসিন্দার নাম ওই তালিকায় সংযুক্ত করা হোক।’

Advertisement

সরকারি সুবিধা পেতে বিভিন্ন ছলাকলার আশ্রয় নিচ্ছেন অনেকে। অপ্রকৃত প্রাপক সরকারি সুবিধা নিলে প্রকৃত বাসিন্দারা নিজের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। জনসাধারণের কর্তব্য মনে করিয়ে আনিসুর বলেন, “শুধুমাত্র সরকারকে দোষ দিয়ে কোনও লাভ নেই। সাধারণ মানুষেরও কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। সেটুকুই পালন করেছি মাত্র।”

আনিসুরের এই সততায় খুশি প্রশাসনও। ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক অঞ্জন ঘোষ বলেন, “আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা প্রত্যেক আবেদনকারীর ঘরে ঘরে গিয়ে প্রশাসন আবেদনের সত্যতা যাচাই করছে। যাঁদের প্রয়োজন রয়েছে, তাঁরাই যেন ঘর পান। এক্ষেত্রে জনৈক ব্যক্তি যে নজির স্থাপন করেছেন তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত প্রশংসনীয়।” সকলেরই এভাবে নিজে থেকে এগিয়ে এসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত বলে জানান মহকুমা শাসক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.