৭ মাঘ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন অনেকে৷ বমি, পায়খানা, জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভরতি শতাধিক৷ নদিয়ার চাপড়ার ঘটনায় তাঁদের মধ্যে ষোলোজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক৷ শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন প্রত্যেকেই৷ অসুস্থদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই দেখা করেছেন বিধায়ক রুকবানুর রহমান৷ কীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেন শয়ে-শয়ে মানুষ, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে৷ চাপড়া হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে৷

[আরও পড়ুন: ইটাহারে বোমা বাঁধতে গিয়ে জখম তিন বিজেপি সমর্থক, এলাকায় উত্তেজনা]

শবেবরাতের পর চাপড়ার পুখুরিয়া গ্রামে কয়েকশো মানুষ বিরিয়ানি, চপ-মুড়ি খেয়েছিলেন৷ কেউ আবার পান্তাভাতও খান৷ তারপরই একে একে সকলের পেটে যন্ত্রণা, বমি, পায়খানা, জ্বরের উপসর্গ দেখা যায়৷ দলে দলে অসুস্থরা চাপড়া হাসপাতালে পৌঁছে হন৷ তড়িঘড়ি তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়৷ তবে অসুস্থদের মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷ তাই তাঁদের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ খবর পেয়েই চাপড়া হাসপাতালে যান স্থানীয় বিধায়ক রুকবানুর রহমান। অসুস্থদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি৷ চিকিৎসায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেছেন বিধায়ক৷

কীভাবে শতাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লেন, সেই কারণ নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা৷ কেউ কেউ শবেবরাতের খাবারকে যেমন দায়ী করছেন, তেমনই আবার অনেকে বলছেন, পানীয় জলের সমস্যাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শতাধিক গ্রামবাসী৷ মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের দাবিও একইরকম৷ তিনি বলেন, ‘‘কিন্নাপাড়ার ট্যাঙ্কের জলে আয়রনের আধিক্য রয়েছে৷ সে কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসীরা৷’’

[ আরও পড়ুন: বাংলাই চরম শিক্ষা দেবে বিজেপিকে, আরামবাগের সভা থেকে চ্যালেঞ্জ মমতার]

কারও দাবিকেই এখনও সিলমোহর দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ আপাতত নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য চাপড়া হাসপাতালে তা পাঠানো হয়েছে৷ ওই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই জানা যাবে অসুস্থতার প্রকৃত কারণ৷ এ প্রসঙ্গে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস রায় বলেন, ‘‘পানীয় জল বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে৷ তবে নমুনা পরীক্ষার পরই সঠিক কারণ জানা যাবে।’’ এই পরিস্থিতিতে গ্রামজুড়ে তৈরি হয়েছে ডায়েরিয়া আতঙ্ক৷   

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং