রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: রাত সাড়ে ১১ টার পর থাকা যাবে না হোটেলের বাইরে। দিঘায় (Digha) পর্যটকদের জন্য নয়া নির্দেশিকা প্রশাসনের। নিষেধাজ্ঞা না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি। সৈকত শহরে দোকানপাটও সাড়ে ১১টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সমুদ্রপ্রেমীদের অন্যতম পছন্দের জায়গা সৈকত শহর দিঘা। এক-দুই দিনের ছুটি কাটাতে অনেকেই ঢুঁ মারেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই পর্যটন শহরে। রাত পর্যন্ত সমুদ্রপাড়ে বসে সমুদ্র উপভোগ করা দিঘার প্রচলিত এক রীতি। কিন্তু এবার গভীর রাত পর্যন্ত আর বসে থাকা যাবে না দিঘার সমুদ্রপাড়ে। নিষিদ্ধ করল দিঘা পুলিশ। সম্প্রতি, দিঘায় এক পর্যটক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্তরা। তবে সৈকত শহরে এমন ঘটনা ঘটায় শাসক ও বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। বারবার প্রশ্ন তোলা হয় নারী সুরক্ষা নিয়ে।
[আরও পড়ুন: আচমকা কলকাতায় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কারণ ঘিরে জল্পনা]
এর পরই কড়া পদক্ষেপ করল দিঘা পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে দিঘা শহরে মাইকিং করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়। বলা হয়, গভীর রাত পর্যন্ত সমুদ্রের পাড়ে কেউ যেন ঘোরাফেরা না করেন। রাত এগারোটা থেকে সাড়ে এগারোটার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানানো হয়। একই সঙ্গে পর্যটকদের উদ্দেশে জানানো হয়, তাঁরা যেন রাতে হোটেলেই সময় কাটান এবং সেখানে নিরাপদে থাকেন। শুধু তাই নয়, পাশাপাশি এই নিয়ম ভাঙলে কড়া শাস্তি হতে পারেও সতর্ক করা হয় সকলকে। দিঘা থানার ওসি অভিজিৎ পাত্র বলেন, ‘‘পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সাড়ে ১১টার মধ্যে সব দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদেরও সাড়ে ১১টার মধ্যে হোটেলে ঢুকে যেতে বলা হয়েছে। দিঘাজুড়ে মাইকিং করা হয়েছে। এবার রাতে বাইরে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
[আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকেও ইউনিক সিরিয়াল নম্বর, প্রশ্ন ফাঁস রুখতে কড়া সংসদ]
সর্বশেষ খবর
-
ক্রিকেট বিশ্বায়নের বাস্তবায়ন! ভারত-জাপান ম্যাচ নিয়ে আবেগঘন বিসিসিআই সচিব
-
লম্বা চুল, গাল ভর্তি দাড়িতে রুক্ষ রণবীর! ‘প্রলয়’-এর সেট থেকে ফাঁস লুক, দেখুন ভিডিও
-
অন্নপূর্ণার টাকা না পেলে এবার সহজেই জানাতে পারবেন অভিযোগ! হেল্পলাইন নম্বর চালু শুভেন্দু সরকারের
-
প্যারিসে স্বামী নারায়ণ মন্দির উদ্বোধন, আপ্লুত মোদি বললেন, ‘ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক শিখর ছুঁল’
-
মালদহের ১৫০ বছরের প্রাচীন শিবমন্দির গিলে খেল গঙ্গা, অকল্যাণের আশঙ্কায় স্থানীয়রা