BREAKING NEWS

৭ মাঘ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

‘হারার ভয়ে ব্রেক ফেল করছে’, সাংবাদিককে ‘চড়’ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ককে খোঁচা দিলীপের

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: January 6, 2021 8:57 am|    Updated: January 6, 2021 9:12 am

An Images

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: সাতসকালে পুরুলিয়া (Purulia) থেকে একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের নেতাদের তুলোধনা করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিধায়কের সাংবাদিককে চড় মারার ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন। বললেন, “হারার ভয়ে ওদের মাথার ঠিক নেই, তাই এসব করছে।”

বুধবার সকালে প্রাতঃভ্রমণ সেরে পুরুলিয়ার ট্যাক্সিস্ট্যান্ড এলাকায় চায়ে পে চর্চায় যোগ দেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ (Dilip Ghosh)। সেখানে জঙ্গলমহলের উন্নয়নে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের কেন্দ্র টাকা দেয় না রাজ্যের উন্নয়নের জন্য। সরকারকে দেয়। এখনও তাই এটা ওদের দায়িত্ব, মে মাসের পর আমরা সব করব।” তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ফের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে বিজেপি সাংসদ বলেন, “মানুষ ওদের খুঁজছে। সামনে পেলেই ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারবে। এবার ভোটের আগে ওদের আর কাট আউট ঝোলাতে হবে না। মানুষ ওদেরই ঝুলিয়ে রাখবে!” এদিন ফের লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, “উনি বুঝতে পারছেন যে মানুষের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে। তাই সাধারণের ভিড়ে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।”

[আরও পড়ুন: শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈঠক ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল বিধায়কের, তুঙ্গে জল্পনা]

ময়নাগুড়ির তৃণমূল বিধায়কের সাংবাদিককে চড় মারার ঘটনায় এদিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ। বলেন, “এরকম আচরণ করার কথা কেউ ভাবতেও পারেন না। হারার ভয়ে ওঁরা বুঝতে পারছেন না কী করবেন, তাই ব্রেক ফেল করছে।” উল্লেখ্য, সোমবার ময়নাগুড়ির জল্পেশ মন্দিরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ময়নাগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। সেখানে দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই খবর ছাপা হয়েছিল সংবাদমাধ্যমে। অভিযোগ, ওই খবরটি প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ বিধায়ক মঙ্গলবার সপাটে চড় মারেন এক সাংবাদিককে। এপ্রসঙ্গে অনন্তবাবু বলেন, “আমার নামে ভুল খবর করায় আমার মাথা ঠিক ছিল না। তবে চড় মারিনি।” এই ঘটনায় নিন্দায় সরব রাজনৈতিক মহল।

[আরও পড়ুন: জেলা পরিষদে তোয়ালের রং বদল! দল বদলের ইঙ্গিত নাকি? কী বলছেন সভাধিপতি?]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement