Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Dinhata

পাকিস্তানি গুপ্তচরদের ‘সেফ জোন’ দিনহাটা? উত্তুরে হাওয়ায় দক্ষিণে ছড়াচ্ছে জেহাদের জাল?

সিম কার্ড পাচার ও জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার এই চক্র কি করে চলছিল?

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৫:২৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৫:২৬

options
link
পাকিস্তানি গুপ্তচরদের ‘সেফ জোন’ দিনহাটা? উত্তুরে হাওয়ায় দক্ষিণে ছড়াচ্ছে জেহাদের জাল? zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

কোচবিহার সীমান্ত সংলগ্ন দিনহাটা (Dinhata) মহকুমা আইএসআই এজেন্টের গুপ্তচরবৃত্তির জন্য কি ‘সেফ জোন’! আর সেখান থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে গুপ্তচররা!মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। সেই সীমান্ত দিয়েই ওপার বাংলা থেকে দিনহাটায় গুপ্তচর বৃত্তি সংক্রান্ত কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে বলেই তদন্তকারীদের সামনে তথ্য উঠে এসেছে। পাক গুপ্তচর সন্দেহে দিনহাটা থেকে রশিদুল ও তুফানগঞ্জের বাসিন্দা নূর নাসিরুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করার পর করার পর তাদের কাছ থেকে উত্তর দিনাজপুরের সফিউলের সূত্র এসটিএফ পেয়েছিল। এবার রশিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ মিঠু রহমান ওরফে মিঠু বর্মন কেউ গ্রেপ্তার করেছে। পরপর এতগুলো গ্রেপ্তারের ঘটনার পর ইতিমধ্যে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন অন্তত দিনহাটা মহকুমার তিনজন বাসিন্দার নামে তোলা সিমকার্ডে তৈরি করা হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার হচ্ছে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোর থেকে। সেটার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন স্থানের গোপন তথ্য। শুধু তাই নয়, মিঠু রহমানের মাধ্যমে প্রায় সাত লক্ষ টাকার জাল নোট ইতিমধ্যে দিনহাটার সীমান্ত দিয়ে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। এই সমস্ত তথ্য উঠে আসার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কয়েক বছর ধরে এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও কেন পুলিশ সেটা বুঝতে পারেনি?

দিনহাটা থেকে সিম কার্ড পাচার হওয়ার পর সেটা বাংলাদেশের ঢাকায় চলে যেত। সেখান থেকে ইসলামাবাদ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল এই সিমকার্ড।

যদিও রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী মালতি রাভা রায় বলেন, দীর্ঘদিন দিনহাটাকে জঙ্গির আস্তানা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। তাদের জন্য সেফ রাখা হয়েছিল ওই স্থানটি। সেখান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ শিলিগুড়ি হয়ে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছিল। তবে ক্ষমতায় আসার পর এই ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে রাজ্য সরকার কঠোর হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে আর তাতেই দিনহাটাতে (Dinhata) একের পর এক পাক গুপ্তচর গ্রেপ্তার হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে যারাই যুক্ত থাক না, কেউ কেউ ছাড় পাবে না।

Advertisement

তবে সিম কার্ড পাচার ও জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার এই চক্র কি করে চলছিল? তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বাংলাদেশ থেকে মূলত এই চক্রকে মনিটরিং করা হচ্ছিল। আইএসআইয়ের এজেন্ট হিসাবে বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা আকবর হোসেন ওরফে সম্রাট ও তার সঙ্গে অমর এই গুপ্তচর বৃত্তির নেটওয়ার্ক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত। গরু পাচারের একটি বড় চক্র এই আকবরের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। দিনহাটা থেকে সিম কার্ড পাচার হওয়ার পর সেটা বাংলাদেশের ঢাকায় চলে যেত। সেখান থেকে ইসলামাবাদ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল এই সিমকার্ড। সেখান থেকে ওই সিমকার্ডগুলো ব্যবহার করে আইএসআই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার চোখে ধুলো দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করছিল। এই ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা আকবরের ‘মোহরা’ হিসেবে কার্যত কাজ করছিল। তাদের মাধ্যমে পাকিস্তানের ছাপানো লক্ষ লক্ষ টাকার জাল নোট ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.