Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

বেওয়ারিশ লাশের সৎকারের জন্য ‘সমব্যথী’র অনুদান চায় জেলা

লাল ফিতের ফাঁসে মর্গে উপচে পড়ে লাশের স্তূপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০১৮, ১৪:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০১৮, ১৪:৩৭

options
link
বেওয়ারিশ লাশের সৎকারের জন্য ‘সমব্যথী’র অনুদান চায় জেলা zoom

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: দিনের পর দিন ‘বেওয়ারিশ’ হয়ে পড়ে থাকা মৃতদেহের ক্ষেত্রেও এবার মুখ্যমন্ত্রীর সমব্যথী প্রকল্পের অনুদান চায় একাধিক জেলা প্রশাসন। বেওয়ারিশ মৃতদেহের শেষকৃত্যের জন্য নির্দিষ্ট কোনও তহবিল না থাকায় প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হয় জেলা প্রশাসনগুলিকে। তাই বেওয়ারিশ মৃতদেহ সৎকারের জন্য এবার রাজ্য সরকারের কাছে সমব্যথী প্রকল্পের অনুদান চেয়ে আবেদন জানাচ্ছে তারা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমাজকল্যাণ দপ্তরের কাছে আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিও একই পথে হাঁটতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

[মদ্যপানের আসরে বচসার জের, বন্ধুকে কুপিয়ে খুন করল যুবক!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দু্ঘটনা কিংবা অপমৃত্যু। পরিবারের লোকেদের খোঁজ না পাওয়া দেহগুলির ঠাঁই হয় মর্গে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবার থাকলেও সেই দেহ নিতে আসেন না অনেকে। ময়নাতদন্তের পর তা পড়েই থাকে। যা সৎকারের খরচ নিয়ে প্রশাসনের একাধিক দপ্তরের মধ্যে টানাপোড়েন চলে। প্রশাসন সূত্রে খবর, খরচ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম বা তহবিল নেই। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় পুরসভা খরচের টাকা দেয়, কখনও হাসপাতাল আবার কোনও সময় পুলিশ দাহ করার টাকা দেয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, বেওয়ারিশ মৃতদেহের দাহর খরচের দায় নিতে চায় না দপ্তরগুলি। আর এই জটিলতার জেরেই থমকে থাকে প্রক্রিয়া। মর্গে উপচে পড়ে লাশের স্তূপ।

কয়েক বছর আগে এই জটিলতার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসতে। হাসপাতালের মর্গ থেকে প্রায় ২২টি বেওয়ারিশ মৃতদেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় শ্মশানে। নিয়ম অনুযায়ী শ্মশান কর্তৃপক্ষ দেহগুলি সৎকারের জন্য টাকা দাবি করে। কিন্তু দেহগুলি সৎকারের টাকা দিতে রাজি হয় না কোনও দপ্তরই। দিন থেকে রাত গড়িয়ে যায়, কিন্তু জটিলতা কাটে না। অবশেষে মৃতদেহ বোঝাই গাড়িটি শ্মশান থেকে নিয়ে রাতের অন্ধকারে বারাসত নবপল্লি কানাপুকুর এলাকায় একটি আবর্জনার স্তূপের পাশে ফেলে দিয়ে আসেন গাড়ির চালক। সকালে ওই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। পড়ে বিষয়টি জানতে পারে প্রশাসন। পুলিশ দেহগুলি সৎকারের ব্যবস্থা করে।

[সুন্দরবনে ফের বাঘের হানায় মৃত মৎস্যজীবী]

দেহ সৎকারের এই জটিলতার জন্য সমস্যায় পড়তে হয় মর্গ কর্তৃপক্ষকেও। দীর্ঘদিন সৎকার না হওয়ার ফলে বেওয়ারিশ মৃতদেহের সংখ্যা বাড়তে থাকে সেখানে। এবিষয়ে জেলা প্রশাসনকেও একাধিকবার জানানো হয়েছে। সেকারণেই মঙ্গলবার এই সমস্যার নিরসনে বৈঠকে বসে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বেওয়ারিশ মৃতদেহ সৎকারের প্রক্রিয়াটি সমব্যথী প্রকল্পে মধ্যে অন্তর্গত করার করার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের এক কর্তা জানিয়েছেন, “বেওয়ারিশ দেহ সৎকারের জন্য সমব্যথী প্রকল্পের থেকে অনুদান চেয়ে সমাজকল্যাণ দপ্তরের কাছে আবেদন জানানো হবে। এছাড়া এই কাজের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত দপ্তরকে বিষয়টি প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে বলা হয়েছে।”

জেলা প্রশাসনের অধিকারিকদের দাবি, মর্গের বেওয়ারিশ দেহ সৎকারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় এই টাকার সমস্যা। তবে এই কাজের জন্য সমব্যথী প্রকল্পের অনুদান থাকলে সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

[চাকরির টোপ দিয়ে নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণ, একঘরে অভিযুক্তর পরিবার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.