Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Barasat

আর জি করের চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যু, মানসিক চাপ নাকি ওষুধে বিষক্রিয়া?

মৃত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হার্টের সমস্যার জন্য বেশ কিছু ওষুধ খেতেন বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৬:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৬:০৮

options
link
আর জি করের চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যু, মানসিক চাপ নাকি ওষুধে বিষক্রিয়া? zoom

অর্ণব দাস, বারাসত: ফের আর জি করের চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য। রবিবার গভীর রাতে বারাসতের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় শুভজিৎ আচার্য নামে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের। কী কারণে এমনটা ঘটল, তা বুঝেই উঠতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান, ওষুধের বিষক্রিয়া মৃত্যুর কারণ। মানসিক চাপ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পেলে এবিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

মৃত চিকিৎসক শুভজিৎ আচার্য।

জানা যাচ্ছে, মৃত চিকিৎসকের নাম শুভজিৎ আচার্য। মধ্যমগ্রামের শিশিরকুঞ্জের বাসিন্দা তিনি। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে কর্মরত ছিলেন। রবিবার রাতে আচমকা বুকে ব্যথা হওয়ায় তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হার্ট রেট কমানোর জন্য বেশ কয়েকটি ওষুধ খেতেন ডাক্তার আচার্য। প্রাথমিকভাবে অনুমান, ওষুধের অধিক মাত্রার কারণেই শরীরে বিষক্রিয়া তৈরি হয়। আর তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, দেহ উদ্ধার করে বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত সঠিক মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না।

Advertisement

তবে পরিবারের বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যুর বিষয়টি মানতে রাজি নয়। মৃত চিকিৎসক শুভজিতের কাকা সুভাষচন্দ্র ঘোষ জানান, ”কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, আমরা এখন বুঝতে পারছি না। ছেলের সঙ্গে যে এই ঘটনা ঘটতে পারে, সেটা আমাদের এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। যেখানেই সে ডাক্তারি চেম্বার করত, কোথাও কোনও সমস্যা হত না। আর জি করের সময় একটু ডিউটির চাপ ছিল, কিন্তু সেটা কোনও ব্যাপারই না।” তাঁর বাবা শ্যামলকুমার আচার্য জানান, ”বউমা এবং ছেলে একই বাড়িতে থাকত। পারিবারিক কোনও সমস্যা ছিল না। আমরা এখনও বুঝে উঠতে পারছি না এরকম ঘটনা কেন ঘটল। হয়তো মানসিক দিক দিয়ে কোনও একটি চাপ ছিল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.