Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Kim Jong Un

‘শত্রু দেশ’কে হারিয়ে এশিয়ার সেরা! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা, ভাইরাল ভিডিও

এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতায় নতুন ইতিহাস গড়েছে উত্তর কোরিয়ার মহিলা দল নেগোহিয়াং উইমেনস এফসি। ‘শত্রু দেশ’কে প্রথমবার কোনও উত্তর কোরিয়ার ক্লাব হিসাবে তারা এএফসি উইমেনস চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১২:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১২:৪১

options
link
‘শত্রু দেশ’কে হারিয়ে এশিয়ার সেরা! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা, ভাইরাল ভিডিও zoom
ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতায় নতুন ইতিহাস গড়েছে উত্তর কোরিয়ার মহিলা দল নেগোহিয়াং উইমেনস এফসি। ‘শত্রু দেশ’কে প্রথমবার কোনও উত্তর কোরিয়ার ক্লাব হিসাবে তারা এএফসি উইমেনস চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে। ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশের শীর্ষনেতা কিম জং উনের সঙ্গে দলের আনন্দ উদযাপনের একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওয় দেখা যায়, কিম জং উন হাসিমুখে ফুটবলারদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন। খেলোয়াড়রা তাঁকে ঘিরে নাচ-গানে মেতে ওঠেন। অনেকেই আবেগে কেঁদে ফেলেন। একসঙ্গে ছবি তোলেন রাষ্ট্রপ্রধান ও দলের সদস্যরা। এই সাফল্য যেন মুহূর্তেই জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সুওন শহরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে জাপানের শক্তিশালী ক্লাব টোকিও ভার্ডি বেলেজাকে ১-০ গোলে হারায় নেগোহিয়াং। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোলটি করেন অধিনায়ক কিম কিয়ং ইয়ং। টুর্নামেন্টের সেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

Advertisement

এই জয়ের ফলে এশিয়ার সেরা হওয়ার পাশাপাশি দলটি আগামী বছরে আমেরিকায় মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ফিফা উইমেনস চ্যাম্পিয়ন্স কাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। কোচ রি ইউ ইল সাফল্যের পর নেতা কিম জং উনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমাদের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে নেতার আন্তরিক ভালোবাসা, যত্ন ও বিশ্বাস। যা আমাদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে। এশিয়ার সেরা দল হিসাবে বিশ্বের বুকে পা রাখার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা যে আবেগ ও রোমাঞ্চ অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এবার আমাদের সামনে নতুন বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পালা।”

দীর্ঘ আট বছর পর কোনও উত্তর কোরীয় ক্রীড়া দল দক্ষিণ কোরিয়া সফর করল। দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও মাঠের পরিবেশ ছিল ভিন্ন। ফাইনালে প্রায় ১,২০০ দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে নেগোহিয়াংকে সমর্থন জানান। ম্যাচ শেষে ফুটবলাররা জাতীয় পতাকা নিয়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করে সেলিব্রেট করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সোশাল মিডিয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘ফুটবল আমাদের আবার এক করবে। সামনে আপনাদের নতুন চ্যালেঞ্জে আমাদের সমর্থন থাকবে।’

তবে ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কিছুটা বিতর্কও তৈরি হয়। এক দক্ষিণ কোরীয় সাংবাদিক উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিক নামের বদলে ‘উত্তর পক্ষ’ বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে সম্মেলন ত্যাগ করেন কোচ রি ইউ ইল ও অধিনায়ক কিম কিয়ং ইয়ং। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘নেগোহিয়াং’ শব্দের অর্থই ‘আমার জন্মভূমি’। আর সেই নামের মর্যাদা রেখেই এশিয়ার শীর্ষে উঠে এল উত্তর কোরিয়ার এই নারী ফুটবল ক্লাব।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.