Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬

বাংলার দুর্নীতির নয়, ভাঙড়ে পোড়া নথি আসলে বিহার সরকারের, জানাচ্ছে সূত্র

বিহার সরকারের নথি ভাঙ্গড়ে কী করে এল? কেনই বা পোড়ানো হচ্ছিল? তদন্তে সিবিআই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৩, ১৪:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৩, ১৪:১৬

options
link
বাংলার দুর্নীতির নয়, ভাঙড়ে পোড়া নথি আসলে বিহার সরকারের, জানাচ্ছে সূত্র zoom

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: এরাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির নথি নয়। ভাঙড়ের আন্দুলগোড়ি এলাকায় তিনদিন ধরে যে নথি পুড়ছিল, সেগুলি আসলে বিহার সরকারের। এমনটাই সূত্রের দাবি।

মঙ্গলবার সকালে আন্দুলগোড়ি এলাকায় পোড়া কাগজ থেকে নথি উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) আধিকারিকরা। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। প্রথমে এলাকার কিছু বাসিন্দা বলতে শুরু করেন যে, ওই নথিগুলি নিয়োগ দুর্নীতির হতে পারে। যদিও পরে জানা যায়, নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও নথি পোড়ানো হচ্ছিল না। ওই ধরনের কোনও আধপোড়া নথি সিবিআইয়ের হাতেও আসেনি বলেই জানা গিয়েছে। যদিও এই ব্যাপারে কোনও কথা বলতে চাননি সিবিআই আধিকারিকরা। বরং বিহার সরকারের কিছু অডিট সংক্রান্ত নথি পোড়ানো হচ্ছিল, এমনই প্রমাণ পেয়েছে সিবিআই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে খুন! ৩ দিন পর মিলল দেহ, ঘনাচ্ছে রহস্য]

এই বিষয়টি সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা যাচাই করছেন। কারা এই বস্তাবন্দি নথি সংগ্রহ করে একসঙ্গে পোড়াচ্ছিলেন, কেনই বা ভাঙড়ের চর্মনগরী এলাকায় সেগুলি পোড়ানো হচ্ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেই তথ‌্য সিবিআই জানার চেষ্টা করছে। তদন্তকারীরা আগুনে আধপোড়া বেশ কিছু নথি উদ্ধার করে সিবিআই দফতরে নিয়ে যান। মঙ্গলবার সকাল এগারোটা নাগাদ ভাঙড়ের বানতলা চর্মনগরীর পাঁচিল লাগোয়া আন্দুলগোড়ি এলাকায় হঠাৎই কয়েকটি গাড়িতে করে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাজির হন সিবিআই আধিকারিকরা। ওই এলাকায় ফাঁকা মাঠের মাঝে পাঁচিল দিয়ে ঘেরা একটি বড় জমিতে যান তাঁরা। সেখানে তখন কয়েক বস্তা কাগজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, ভোর থেকেই ওইসব জড়ো করা নথিতে আগুন জ্বলছিল। উদ্ধার হওয়া বেশিরভাগ নথিই পরীক্ষা করে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন সেগুলি সবই বিহার সরকারের কৃষি ও মৎস্য দফতরের অডিট সংক্রান্ত নথি।

সেগুলি ২০ থেকে ২৫ বছরের পুরনো। আবার এর সঙ্গে বিহারের খনি সংক্রান্ত কিছু নথি ছিল বলেও খবর। বিহার থেকে নথিগুলো কী করে এ রাজ্যে এল এবং সেগুলি কে বা কারা পুড়িয়ে দিচ্ছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রায় তিন ঘণ্টা আধিকারিকরা থাকেন ওই জমিতে। নথি পরীক্ষার পাশাপাশি ডাকা হয় এলাকার দুই তৃণমূল নেতা গৌতম মণ্ডল ও রাকেশ রায় চৌধুরীকে। অভিযোগ, এলাকার বাসিন্দাদের থেকে ওই জমি স্বল্প পয়সায় কিনে নেন বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা গৌতম মণ্ডল। তারপর সেই জমি বিহারের বাসিন্দা রাজেশ সিংকে বিক্রি করেন। রাজেশ আবার ওই জমি বিক্রি করে দেন ক্যাপ্টেন তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তিকে। গৌতমকে পাওয়া না গেলেও ওই এলাকার উপপ্রধান রাকেশ রায়চৌধুরীকে ডাকেন তদন্তকারীরা। রাকেশ ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন অফিসারদের সঙ্গে।

[আরও পড়ুন: বেসরকারি বাসে ভাড়ার তালিকা টাঙাতেই হবে, বাড়তি টাকা নিলে কড়া ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর]

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাকেশ বলেন, ‘‘আমাকে যা যা জিজ্ঞেস করেছিল তা উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করেছি। যদি কাগজ পোড়ানোর সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ থাকে তাহলে যা সাজা দেবে আমি মাথা পেতে নেব।’’ যে জায়গায় নথি পোড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ সেটা ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকার মধ্যে পড়ে। কিছুদিন আগে তদন্তের জন্য ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লাকে (Saokat Molla) নিজাম প্যালেসে ডেকেছিল সিবিআই। এমনকী, শওকত ঘনিষ্ঠ নেতা শাহজাহান মোল্লার বাড়িতে তদন্তের জন্য হাজির হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা। শওকত মোল্লা বলেন, ‘‘সিবিআই (CBI) কী তদন্ত করতে এসেছিল তা ওঁরাই জানেন। ওখানে কী নথি ছিল, কারা পোড়াচ্ছিল তা আমার কিছু জানা নেই। দলের কেউ জড়িত থাকলে তাঁকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলে পড়তে বলব।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.