Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬

হাসপাতাল চত্বরে মৃত শিশুকে খুবলে খেল কুকুর, কর্তৃপক্ষর ভূমিকায় প্রশ্ন

হাসপাতালে এমন ঘটেনি, দাবি সুপারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৮, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৮, ১২:৩৬

options
link
হাসপাতাল চত্বরে মৃত শিশুকে খুবলে খেল কুকুর, কর্তৃপক্ষর ভূমিকায় প্রশ্ন zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: প্রশ্নের মুখে হাসপাতালের নজরদারি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের মধ্যে মৃত শিশুকে খুবলে খেল কুকুর। অমানবিক ঘটনার এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলেও হুঁশ ফেরেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর।

[ফের প্রকাশ্যে গুরুং, ঘুরপথে রাজ্যকে আলোচনার বার্তা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনাটা ঠিক কী হয়েছিল? বৃহস্পতিবার সকালে রঘুনাথপুর হাসপাতালের নতুন ও পুরনো ভবনের মাঝখানে দেওয়ালের পাশে ঝোপের মধ্যে একটি শিশুকে দেখা যায়। রোগীর পরিজনরা দেখেন মৃত শিশুটিকে কুকুর খুবলে খাচ্ছে। উপস্থিত কেউই বুঝতে পারছিলেন না কীভাবে কুকুরটিকে তাড়াবেন। এই ঘটনার ছবি কেউ কেউ লেন্সবন্দি করেন। এই সময় কাক-পক্ষীও জুড়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়। এই পরিস্থিতির জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায় রোগীর পরিজনেরা। বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার পর হাসপাতাল সুপার সোমনাথ দাস জানান, ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। তবে সুপারের দাবি হাসপাতাল ক্যাম্পাসের বাইরে কিছুটা দূরে এই ঘটনা ঘটে। কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলেও মৃত শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। রোগীর পরিজনদের বক্তব্য তার আগেই কুকুর মৃত শিশুকে মুখে করে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

[মদ্যপানের প্রতিবাদ, যুবকের শরীরে আগুন ধরাল ২ প্রতিবেশী]

তবে এই ঘটনা নিয়ে রঘুনাথপুর থানার পুলিশকে কিছু জানায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, চার বছর আগে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে মর্গের পাশে খানিকটা একই ঘটনা ঘটেছিল। সেবার একাধিক সারমেয় মৃতদেহ খুবলে খায়। মৃত শিশুটির শরীরে মিলেছিল স্টিকার। রঘুনাথপুরের ক্ষেত্রে অবশ্য তেমন কিছু নজরে আসেনি। তবে শিশুটি ওই এলাকায় কীভাবে এল, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রঘুনাথপুর হাসপাতালে মর্গ নেই। মর্গ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে মৃত শিশু এল তার উত্তর মেলেনি। কারও ধারণা ওয়ার্ডে কোনও মৃত শিশুকে ওই জায়গায় হয়তো ফেলে দেওয়া হতে পারে। অনেকে মনে করেন, কেউ বা কারা হয়তো বাইরে থেকে মৃত শিশুকে হাসপাতাল চত্বরে ফেলে রাখতে পারে। সম্ভাবনা যাই হোক এদিনের ঘটনার হাসপাতালের ভূমিকায় সরব হয়েছেন রোগীর পরিজনেরা।

ছবি: সুনীতা সিং

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.