Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Uttarpara Hospital

দিবালোকে মদের আসর! সমাজ বিরোধীদের ‘আখড়া’ উত্তরপাড়া হাসপাতালের পরিত্যক্ত বহির্বিভাগ

এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৫:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৫:৪৪

options
link
দিবালোকে মদের আসর! সমাজ বিরোধীদের ‘আখড়া’ উত্তরপাড়া হাসপাতালের পরিত্যক্ত বহির্বিভাগ zoom
Advertisement

সুমন করাতি, হুগলি: ভাঙাচোরা ভবন। আশপাশ ঢেকেছে আগাছা-জঙ্গলে। চুরি হয়ে গিয়েছে জীর্ণ বিল্ডিংয়ের দরজা-জানলা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সমাজবিরোধী ও নেশাখোরদের ‘প্রিয়’ জায়গা হয়ে উঠেছে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পুরনো বহির্বিভাগ। এখানে দিবালোকে বসছে মদ্যপানের আসর। সেও আবার থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে। ফলে এলাকার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পুরনো এই বহির্বিভাগ দীর্ঘদিন ধরেই পরিত্যক্ত। তবে জিটি রোডের পাশের এই ভবনটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালের অধীনেই আছে। তারপরও সরকারি ভবনে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ চলছে কী করে, সেই প্রশ্ন উঠছে। এই বিল্ডিংটির পাশেই আছে কয়েকটি বহুতল। এবং প্রখ্যাত স্বর্ণবিপণির শোরুম। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বহুতল থেকে অনেক মহিলাই রাতে বাজারে আসেন। ওই স্বর্ণবিপণির অনেক মহিলাই রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন। কোনও ঘটনা ঘটে গেলে তার দায় কে নেবে বলে প্রশ্ন করছেন তাঁরা।

Advertisement

এ ব্যাপারে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপার মহসিন মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “সংবাদমাধ্যম থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। শীঘ্রই গেট বসবে। অন্যান্য ব্যবস্থাদিও গ্রহণ করা হবে।” আরও জানা গিয়েছে, ভবনটি এখনও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অধীনস্ত। কিছুদিন আগে ওই ভবনটিকে নার্সিং স্কুল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও অনুমোদন পাওয়া যায়নি। সুপার জানিয়েছেন, “সুডার পক্ষ থেকে জায়গাটি পরিষ্কার করা হয়। আমরা পূর্ত দপ্তরকে জানাব যাতে দ্রুত গেট বসানোর ব্যবস্থা করা হয়। জায়গাটিতে সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্য রুখতে পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.