BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

৮৫ লক্ষ টাকা ATM ক্যাশ ভরতি গাড়ি নিয়ে উধাও চালক, মাথায় হাত ব্যাংকের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 27, 2020 2:47 pm|    Updated: August 28, 2020 9:58 am

An Images

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, বারাকপুর: এটিএমে (ATM) টাকা ভরতে যাওয়ার সময় গাড়ি নিয়ে উধাও চালক। বুধবার রাতের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে। পুলিশি তৎপরতায় গভীর রাতে গাড়িটি পাওয়া গেলেও, বৃহস্পতিবার বেলা পর্যন্ত টাকার বাক্স অথবা চালকের খোঁজ মেলেনি। ৮৫ লক্ষ টাকা নিয়ে চালকের উধাও হওয়ার পিছনে পূর্বপরিকল্পিত বড়সড় কোনও চক্রান্ত আছে বলে ধারণা পুলিশের। জোরকদমে চলছে তদন্ত।

বুধবার রাত প্রায় সাড়ে আটটা। জগদ্দলের আতপুরের পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের এটিএমে টাকা ভরার জন্য একটি গাড়িতে ৮৫ লক্ষ টাকা নিয়ে কাউন্টারে গিয়েছিলেন ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষীরা। সেখানে পৌঁছে গাড়ি বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে কাউন্টারের ভিতরে ঢুকে মেশিন খোলার কাজ করছিলেন তাঁরা। এরপর বাইরে বেরিয়ে দেখেন, গাড়ি উধাও। গাড়ি দেখতে না পেয়ে মাথায় কার্যত আকাশ ভেঙে পড়ে নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীদের। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশও বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তদন্তে নামে।

[আরও পড়ুন: বিনামূল্যে পরিষেবা দিচ্ছেন আক্রান্তদের, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই শিলিগুড়ির প্রথম মহিলা টোটোচালকের]

পুলিশ সূত্রে খবর, গভীর রাতে বীজপুর থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ গাড়ির সন্ধান মেলে। তবে তাতে টাকার বাক্স কিংবা চালককে পাওয়া যায়নি। এরপর তদন্তের কাজ আরও দ্রুতগতিতে এগোয়। পুলিশ খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে, নদিয়ার গয়েশপুরের বাসিন্দা ওই গাড়িচালক। বারাকপুর পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার (Joint CP) অজয় ঠাকুর জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই সংস্থায় গাড়ি চালান। এটিএমে টাকা ভরার জন্য প্রায়শয়ই তাঁর গাড়ি ব্যবহার করা হতো। ফলে একটা নির্ভরযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি অবশ্য ওই চালক নতুন একটি গাড়ি ব্যবহার করছিলেন। কিন্তু এমন কাণ্ড যে ঘটাবেন, তা আঁচ করতে পারেননি কেউই।

[আরও পড়ুন: পরকীয়ার জেরেই সুপারি কিলার দিয়ে বন্ধুকে খুন! গোয়ালপোখরের হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়]

তবে প্রশ্ন উঠছে, ৮৫ লক্ষ টাকা নিয়ে গাড়িসমেত চালকের উধাও হয়ে যাওয়া কি তাঁর নিজেরই পরিকল্পনা? নাকি কেউ তাঁকে অপহরণ করল? কারণ যাইই হোক, এর নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেই মনে করছেন দুঁদে গোয়েন্দারা। প্রশ্ন উঠছে আরও একটি। সাধারণত এটিএমে টাকা ভরার জন্য যে গাড়ি ব্যবহৃত হয়, তাতে বিশেষ সুরক্ষা থাকে। কিন্তু এই গাড়িটিতে তেমন কোনও সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না বলে দেখেছে পুলিশ। সেসব ছাড়াই কীভাবে এই গাড়িতে টাকা পাঠানো হল, সেই উত্তরও খোঁজা হচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement