সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোয়ালপোখরের শ্রমিক খুনের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, খুনের নেপথ্যে রয়েছে পরকীয়া। প্রেমিকার স্বামী অর্থাৎ দীর্ঘদিনের বন্ধুকে সরাতে সুপারি কিলার নিয়োগ করেছিল ধৃত আতাবুল হোসেন। পরিকল্পনামাফিক জাকিরকে কুপিয়ে খুন করেছে মহম্মদ কালুয়া নামে এক যুবক।
শনিবার বিকাল চারটে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরের বাসিন্দা মৃত জাকির হোসেন। রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়ি ফেরেননি। পরের দিন বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দুরে মেলে তাঁর দেহ। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে আতাবুল ও কালুয়া নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের জেরা করতেই নয়া মোড় নেয় ঘটনা। জানা যায়, ভিনরাজ্য কর্মরত জাকিরের বন্ধু ছিল ধৃত আতাবুল। জাকিরের বাড়িতে যাতায়াতও ছিল তার। সেই থেকেই মৃতের স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। প্রণয়ের সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জাকিরের নজরে পড়তেই অশান্তি শুরু হয়। সেই সময়ই বন্ধুকে খুনের ছক কষে আতাবুল। ঠান্ডা মাথায় গোটা পরিকল্পনা সেরে ফেলে। পাঁচ হাজার বিনিময়ে নিয়োগ করে কালুয়াকে।
আরও পড়ুন: সংবাদ প্রতিদিন-এর খবরের জের, পেনশন পেতে চলেছেন স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদনকারী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক
জানা গিয়েছে, ভিনরাজ্য থেকে বাড়ি ফেরার পর মজুরের কাজ শুরু করেছিলেন জাকির। একই জায়গায় কাজ করত আতাবুল। পরিকল্পনা করেই মালিকের কাছে দু’জনেরই কিছু টাকা বাকি রেখেছিল আতাবুল। ঘটনার দিন বিকেলে সেই আনতে যাওয়ার নাম করেই জাকিরকে ডাকে ঘটনার মূল চক্রী। বাইকে দু’জনে গ্রামের ভিতরে যায়। পরে সেখানে হাজির হয় কালুয়া। এরপরই সুযোগ বুঝে আতাবুল পকেট থেকে দড়ি বের পিছন থেকে জাকিরের গলায় পেঁচিয়ে দেয়। এরপর কালুয়া কুপিয়ে হত্যা করে জাকিরকে। গোটা ঘটনার নৃশংসতায় শিউরে উঠছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ঘটনাটি জানার পরই মৃতের স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরাতে উত্তপ্ত রাখাইনে ‘সেফ জোন’ তৈরি দাবি বাংলাদেশের]
সর্বশেষ খবর
-
গান জুড়ে রগরগে যৌনতা! স্ত্রীর ‘মাত্রাতিরিক্ত বোল্ডনেসে’ কী প্রতিক্রিয়া সিদ্ধার্থের?
-
‘ভারতীয়রা দুধে চিনির মতো’, অস্ট্রেলিয়ায় মোদির মন্তব্যে উচ্ছ্বসিত প্রবাসীরা
-
কপালে তিলক-গলায় তুলসিমালা, ছাত্রীকে ‘বহিষ্কার’ করেও শিক্ষাদপ্তরের ‘চাপে’ ফেরাল স্কুল
-
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পুরস্কার! রাজ্যসভার প্রার্থী ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, জারি বিজ্ঞপ্তি
-
মোবাইলে আসক্তি বাড়ছে শিশুর! বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদারকি করবেন আশাকর্মীরা