Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
বাজার অভিযান ইবির

বেশি দামে সবজি বিক্রি করলে কড়া ব্যবস্থা, হুগলিতে অভিযানে গিয়ে হুঁশিয়ারি EB কর্তাদের

কলকাতার পর জেলাতেও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০১৯, ২১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০১৯, ২১:২১

options
link
বেশি দামে সবজি বিক্রি করলে কড়া ব্যবস্থা, হুগলিতে অভিযানে গিয়ে হুঁশিয়ারি EB কর্তাদের zoom

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: কাঁচা আনাজ ও সবজির বাজারদর আকাশচুম্বী। মধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন। তাই কলকাতার পর এবার জেলার বাজারগুলিতেও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নামল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। রবিবার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ইবি দপ্তরের আধিকারিকরা শেওড়াফুলি হাটে গিয়ে পাইকারি সবজি, আলু ও পিঁয়াজ ব্যবসায়ীদের রীতিমতো সতর্ক করে দিয়ে যান, তারা যেন কোনও অবস্থাতেই অধিক মুনাফার জন্য বেশি দামে সবজি বিক্রি না করেন।
রবিবার ইবির আধিকারিকরা শেওড়াফুলি হাটে সমস্ত ব্যবসায়ীদের ডেরায় গিয়ে তাদের বেচাকেনার সমস্ত নথি খতিয়ে দেখেন। মূলত
বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাজারগুলির সঙ্গে হাটের পাইকারি বাজারের আলু, পিঁয়াজ ও অন্যান্য সবজির মূল্যের কতটা বৈষম্য রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন। তবে সবজি বিক্রির ক্ষেত্রে কোনওরকম অসামঞ্জস্য দেখলে তারা ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবেন বলে সতর্ক করে দেন।

[আরও পড়ুন: মানুষ একজোট হলে লাগু হবে না NRC, বিজেপির উদ্দেশে হুংকার কানহাইয়া কুমারের]

এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ এভাবে অভিযান চালালেও গৃহস্থের কিন্তু মাথায় হাত। রবিবারও হুগলির উত্তরপাড়া, হিন্দমোটর, কোন্নগর, রিষড়া, শ্রীরামপুরের বাজারগুলি থেকে চড়া দামে মানুষকে আনাজ ও সবজি কিনতে হয়েছে। রবিবারের বাজারে জ্যোতি আলু প্রতি কেজি ২২ টাকা, চন্দ্রমুখী আলু ২৬ টাকা ও পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিকিয়েছে। বাজারে এই সময় গাজরের মূল্য কখনওই ৪০ টাকার বেশি হয় না, অথচ সেই গাজরের বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের ফুলকপি ৩০ টাকা ও একটু বড় আকারের ফুলকপি ৫০ টাকা দর ছিল। সবচেয়ে অবস্থা খারাপ বাঁধাকপির, কেজি ৪০ টাকা। ঝিঙের অবশ্য বাজারে দেখা মেলা ভার।
এই অগ্নিমূল্যের বাজারে দরাদরি করলে অনেক সময়ই বিক্রেতাদের কটূক্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে খদ্দেরকে। অনেক বিক্রেতাই বলছেন, ‘বিক্রি না হলে পচে গেলে ফেলে দেব তবু বেচব না।’ এরকম পরিস্থিতিতে হুগলির বিভিন্ন পুর এলাকার বহু বাজার রাস্তা দখল করে বসে ব্যবসা করে, অথচ তারা পুরসভাকে কোনও ট্যাক্স দেয় না বলে অভিযোগ। অথচ পুর এলাকার যাবতীয় সুযোগসুবিধা তারা গ্রহণ করে। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, রাস্তা মানুষের চলার জন্য। তাই এদের আলাদা করে জায়গা পাকা বাজার করে দেওয়া হোক, তাহলে পুরসভারও আয় হবে। এরাও অনেকটা আচরণে সংযত হবে। পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, পাইকারি বাজারে শুধু অভিযান হলেই চলবে না, স্থানীয় বাজারগুলিতে ইবি অভিযান না চালালে এদের নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: হোম থেকে নিখোঁজ ৭ নাবালক, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই উদ্ধার তিন আবাসিক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.