সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হঠাৎ টর্নেডোয় লন্ডভন্ড হয়েছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের একাংশ। গুঁড়িয়ে গিয়েছে ৫ হাজার বাড়ি। ভোটের মুখে রাস্তায়, স্কুলে পড়ে রয়েছে প্রচুর মানুষ। তাদের বাড়ি বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু নির্বাচনী বিধি কার্যকর থাকায় সরকার টাকা দিতে পারছে না। বিষয়টি নিয়ে কমিশনের কাছে অনুমতি চেয়েছে নবান্ন। কিন্তু সেই অনুমতি এখনও মেলেনি। বৃহস্পতিবার সেই ইস্যুতেই ফুঁসে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বললেন, “কেন আটকে রেখেছেন? বিজেপি বললে তার পর ছাড়বেন?”
রবিবার ক্ষণিকের ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে তিন জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। রাতেই সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন মমতা। দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছেন ভেঙে পড়া বাড়ি তৈরি করে দেবে রাজ্য সরকার। কিন্তু নির্বাচনী বিধি লাগু থাকায় রাজ্য সরকার সরাসরি অর্থ সাহায্য করতে পারছে না। প্রশাসনের মাধ্যমে এই কাজ করতে হবে। তবে কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন। সেই অনুমতিই এখনও মেলেনি।
[আরও পড়ুন: কোচবিহারে মমতার হাতিয়ার শীতলকুচি কাণ্ড, বিজেপিকে বিঁধে বললেন, ‘মানুষ মেরে হাতের রক্ত মোছেনি’]
এ প্রসঙ্গে এদিনের সভা থেকে তৃণমূলে সুপ্রিমো বলেন, “৫ হাজার বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। আমরাই করে দেব। নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ, এটাকে ঝুলিয়ে রাখবেন না। মানুষগুলো রাস্তায় পড়ে রয়েছে। স্কুলে পড়ে রয়েছে।” তিনি জানিয়েছেন, “সরকার প্রশাসনের হাত দিয়ে টাকাটা দিতে পারলে, প্রশাসন বাড়িগুলো করে দেবে। যেহেতু নির্বাচন আছে তাই এটা প্রশাসন করবে।” এর পরই মমতার খোঁচা,”কেন আটকে রেখেছেন? বিজেপি বললে তার পর ছাড়বেন?”
[আরও পড়ুন: নিখোঁজ বিজেপি লোকসভা প্রার্থী! পোস্টারে ছয়লাপ মালদহ]
সর্বশেষ খবর
-
‘বান্ধবী’ কোমলের সঙ্গে বিমানবন্দরে গোবিন্দা! সুনীতার খোঁচা ‘ওঁর মতিভ্রম হয়েছে’
-
বিএনপি-র মহাসচিব থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি! দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
-
মার্কিন আদালতে খারিজ জালিয়াতি-ঘুষের মামলা, ‘আস্থা হারাইনি’, স্বস্তি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আদানির
-
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের
-
পুলিশি সুরক্ষাতেও রক্ষা নেই! রাতে জনতার ‘তাড়া’ খেয়ে সিতাই ছাড়লেন সস্ত্রীক জগদীশ বসুনিয়া