Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mid Day Meal

ডিমের দাম বেড়ে ৮, মিড ডে মিলে বরাদ্দ মাত্র সাড়ে ৬! হিমশিম অঙ্গনওয়াড়িগুলিতে

ডিম দিয়ে খাবার জোগানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ১৮:২৩

options
link
ডিমের দাম বেড়ে ৮, মিড ডে মিলে বরাদ্দ মাত্র সাড়ে ৬! হিমশিম অঙ্গনওয়াড়িগুলিতে zoom
ফাইল ছবি

অরূপ বসাক, মালবাজার:  খুচরো বাজারে ডিমের দাম বেড়ে আট টাকায় পৌঁছতেই মিড-ডে মিল (Mid Day Meal) নিয়ে বাড়ছে চিন্তা। সরকারি বরাদ্দ যেখানে মাত্র সাড়ে ছ’টাকা, সেখানে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে ডিম দিয়ে খাবার জোগানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে বরাদ্দ বৃদ্ধি নিয়ে সরব হয়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকারা। বাজারদর অনুযায়ী ডিমের মূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়ে বুধবার মালবাজার আইসিডিএস দপ্তরের আধিকারিকের কাছে ডেপুটেশন জমা দিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার্স এন্ড হেলপারস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এদিন দুপুরে শহরের ১০ নাম্বার ওয়ার্ডে অবস্থিত ইন্টিগ্রেটেড চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (আইসিডিএস) কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সদস্যরা বাজারদর অনুযায়ী ডিমের মূল্য নির্ধারণ এবং মায়েদের পুষ্টি বিকাশের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানান

সংগঠনের তরফে নবনীতা মজুমদার বলেন, ”বাজারের ডিম আট টাকা হলেও সরকারি বরাদ্দ সাড়ে ছয় টাকা। কিভাবে ডিম কিনব? বিষয়টি আধিকারিকদের কাছে তুলে ধরেছি।” এই অবস্থায় ডিম কিনতে গিয়ে একেবারে হিমশিম অবস্থার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। নবনীতা মজুমদারের দাবি, ”অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে অভিভাবকরা ডিম না মিললে অভিযোগ করছেন। সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের।” অন্যদিকে ডেপুটেশন প্রসঙ্গে আইসিডিএস মালবাজার ব্লক আধিকারিক সায়ক দাস জানিয়েছেন, ”বাজারে ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হয়েছে। এদিন ফের বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। বিষয়টি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ফের জানানো হবে।”

Advertisement

অন্যদিকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জন্য মোবাইল ফোন কেনাকে কেন্দ্র করে অনিশ্চয়তা দানা বেঁধেছে। রাজ্য সরকারের তরফে প্রতিটি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর কাজের সুবিধার্থে নিজস্ব একাউন্টে ১০০০০ টাকা করে অর্থ প্রদান করলেও ফোন কেনার ক্ষেত্রে আরোপিত শর্ত বাস্তবে পালন করা অসম্ভব। নির্দিষ্ট দামে ও নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত মান বজায় রেখে ফোন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। এদিন ডেপুটেশন প্রদান কর্মসূচিতে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত বিষয়টিও তুলে ধরা হয় সংগঠনের তরফে। নবনীতা মজুমদার জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন কেনার বিষয়ে কিছু নির্দেশিকা এসেছে। বিষয়টি নিয়ে নভেম্বর মাস শেষ হলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ সরকারি স্তরে গৃহীত হয়নি। মোবাইল ফোন সংক্রান্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে সায়ক দাস জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন মহলে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত সমাধান হবে। এদিন ডেপুটেশন প্রদান কর্মসূচিতে বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকারা উপস্থিত হয়েছিলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.