Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Burdwan Medical College Hospital

ওষুধ খেয়ে বর্ধমান মেডিক্যালে অসুস্থ ৮ প্রসূতি, মেদিনীপুরের স্যালাইন কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি?

যে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল প্রসূতিদের, তা পরীক্ষায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ০০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ০০:৩৩

options
link
ওষুধ খেয়ে বর্ধমান মেডিক্যালে অসুস্থ ৮ প্রসূতি, মেদিনীপুরের স্যালাইন কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি? zoom

অর্ক দে, বর্ধমান: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে স্যালাইন কাণ্ডের স্মৃতি এখনও টাটকা রাজ্যবাসীর মনে। প্রসবের পর রিঙ্গার ল্যাকটেট নামে নিষিদ্ধ স্যালাইন দেওয়ায় সদ্য মা হওয়া একজন প্রাণ হারান। চারজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। সেই ঘটনা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজেও সেই ঘটনার ছায়া। সোমবার ওষুধ খেয়ে সেখানকার স্ত্রীরোগ বিভাগে ভর্তি আট প্রসূতি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়েই অবশ্য চিকিৎসকদের একটি দল জরুরিভিত্তিতে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। আপাতত সকলের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনা ঠিক কী ঘটেছিল? অসুস্থ প্রসূতিদের পরিবার সূত্রে খবর, সোমবার বিকেলে স্ত্রীরোগ বিভাগে ভর্তি থাকা প্রায় ১০ জনকে ওষুধ দিয়েছিলেন নার্স। ঘণ্টাখানেক পর থেকে অন্তত আটজন একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন। জ্বর আসে তাঁদের, সেইসঙ্গে খিঁচুনি। আত্মীয়রা এই খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেখেন, প্রসূতিদের শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি ঘটছে। জ্বরে কাঁপছেন কেউ কেউ। কেউ আবার ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ছেন। এসব দেখে ভয় পেয়ে যান তাঁরা। ডাক্তারদের ডাকাডাকি করতে থাকেন। ইতিমধ্যে নার্সরাও কিছু বুঝতে না পেরে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকদের ডেকে পাঠান।

Advertisement

চিকিৎসকদের একটি দল প্রসূতিদের পরীক্ষা করেন। তাঁদের সুস্থ করার জন্য দেওয়া হয় অন্য ওষুধ। প্রায় একঘণ্টা পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন প্রসূতিরা। শারীরিক পরীক্ষা করার পর চিকিৎসকরাও জানান, আপাতত সকলে স্থিতিশীল। বর্ধমান হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ ঘটনাটি নিয়ে জানান, “সোমবার বিকেলে চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে দেখে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে। কোনও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের অবস্থা স্থিতিশীল। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।” সূত্রের খবর, যে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল প্রসূতিদের, তা পরীক্ষায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.