Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Suri

শুনানিতে ডাক, দু’দিন মুখে খাবার তোলেননি, SIR আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের!

শুনানিতে ডাক পড়েছিল দিন কয়েক আগে। তারপর থেকেই তেমনভাবে খাওয়াদাওয়া করেননি তিনি। এদিন সকালে বাড়ির উঠোনে পড়ে গিয়ে মারা যান তিনি! এসআইআর আতঙ্কে ফের বাংলায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। এবার বীরভূমের সিউড়ি। মৃতের নাম খেলা বেদে। শুক্রবার সকালে ওই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোড়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৯:২১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৯:২১

options
link
শুনানিতে ডাক, দু’দিন মুখে খাবার তোলেননি, SIR আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের! zoom
প্রতীকী ছবি।

শুনানিতে ডাক পড়েছিল দিন কয়েক আগে। তারপর থেকেই তেমনভাবে খাওয়াদাওয়া করেননি তিনি। এদিন সকালে বাড়ির উঠোনে পড়ে গিয়ে মারা যান তিনি! এসআইআর আতঙ্কে ফের বাংলায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। এবার বীরভূমের সিউড়ি। মৃতের নাম খেলা বেদে। শুক্রবার সকালে ওই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোড়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

বাংলায় এসআইআরের শুনানি চলছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুনানির সময় সাধারণ মানুষদের হেনস্থার অভিযোগও সামনে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় শুনানি চলাকালীন বিবাদ, গোলমালও দেখা গিয়েছে! বৃহস্পতিবারও এসআইআর আতঙ্কে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে! শুক্রবার সকালেও এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু হল বৃদ্ধের! ওই বৃদ্ধের বাড়ি সিউড়ির ২ ব্লকের কোমা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংটে গ্রাম।

Advertisement

মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর পরেই কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। শুনানির প্রথমপর্বে বছর ৬৮ বয়সের খেলা বেদে ডাক পেয়েছিলেন। কাগজপত্র নিয়ে ওই শুনানিতে তিনি হাজিরও হয়েছিলেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন তিনি। সম্প্রতি ফের তাঁকে দ্বিতীয়বার শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। অভিযোগ, এরপরই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। বাড়ির লোকজন দাবি করেছেন, গত দু’দিন ধরে বৃদ্ধ খাবার মুখে তোলেননি। চুপচাপ হয়ে পড়েছিলেন! এদিন সকালে ওই বৃদ্ধ বাড়ির উঠোনেই পড়ে যান। কিছু সময়ের মধ্যেই তিনি মারা যান!

ঘটনা জানাজানি হতেই প্রতিবেশীরা ভিড় করেন। একাংশের মধ্যে ক্ষোভও ছড়িয়ে পড়ে। এসআইআর আতঙ্কে থাকার কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃদ্ধ মারা গিয়েছেন বলে অভিযোগ। দ্বিতীয়বার তাঁকে কেন শুনানিতে ডাকা হয়েছিল? সেই প্রশ্ন উঠেছে। যদিও স্থানীয় ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্বিতীয়বার তাঁকে হিয়ারিংয়ের জন্য ডাকা হয়নি। কোথা থেকে সেই কথা তিনি শুনেছিলেন, তাও পরিষ্কার হয়। ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক চাপানউতোড়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন অপরিকল্পিতভাবে বাংলায় এসআইআরের কাজ করছে। সেজন্য মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে! যদিও পালটা বলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, তৃণমূলের তরফে যে কোনও মৃত্যুকেই এসআইআরের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.