Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Election Result 2024

রাখে কেষ্ট হারে কে! বীরভূমে আবারও সবুজ ঝড়, বিপুল ভোটে জয়ী শতাব্দী-অসিত

বীরভূমে কেষ্ট-ম্যাজিক অব্যহত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৪, ২২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৪, ২২:৫৭

options
link
রাখে কেষ্ট হারে কে! বীরভূমে আবারও সবুজ ঝড়, বিপুল ভোটে জয়ী শতাব্দী-অসিত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বীরভূম তো বটেই, বাংলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ নাম অনুব্রত মণ্ডল। গোটা বীরভূমের রাশ ছিল তাঁর হাতেই। কোনও ভোটেই এই জেলা নিয়ে বিশেষ ভাবতে হত না তৃণমূল নেতৃত্বকে। কিন্তু এবার ছবিটা অন্য। ‘দিদি’র প্রিয় কেষ্ট বন্দি তিহাড়ে। ফলে কেষ্টহীন বীরভূমের দুটি লোকসভা আসনে কোন কৌশলে হবে ভোট, ফলই বা কী হবে, তা নিয়ে একটা চিন্তা ছিলই। কিন্তু গণনা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে গেল, কেষ্ট-ম্যাজিক অব্যহত। বীরভূম রইল তৃণমূলেরই। বিপুল ব্যবধানে জয়ী শতাব্দী রায় ও অসিত মাল।

বীরভূম মানেই অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) ওরফে কেষ্ট। গোটা জেলা কার্যত তাঁর নখদর্পণে ছিল। পঞ্চায়েত হোক, বিধানসভা অথবা লোকসভা, বীরভূমের রাশ নিশ্চিন্তে অনুব্রতর হাতে ছেড়ে দিতেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিকবার সেকথা নিজেই বলেছেন তিনি। তাঁকে দক্ষ সংগঠকের তকমা দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এবারের লোকসভায় বীরভূমের ২টি আসন অর্থাৎ বোলপুর ও বীরভূম নিয়ে খানিকটা চিন্তায় ছিল ঘাসফুল শিবির। কারণ, অনুব্রত এলাকা ছাড়ার পরই বীরভূমে স্পষ্ট হয়ে উঠছিল গোষ্ঠীকোন্দল। যা সামাল দিতে বারবার বৈঠক করতে হয়েছে দলনেত্রীকে। একাধিক কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সর্বশেষ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। সকলকে একজোটে কাজ করার বার্তা দিয়েছিলেন। বীরভূমের ব্যাটন রেখেছিলেন নিজের হাতে। অনুব্রতর প্রশংসা করে তাঁর মতো করেই ভোট করানোর কথা বলেছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জনতার এথিক্স কমিটিতে ‘বহিষ্কার’ ফিরল ‘পুরস্কার’ হয়ে, লড়াই করে সংসদের রুদ্ধপথ খুললেন মহুয়া]

সেই মতোই এগিয়েছে বীরভূম তৃণমূল। তবে গত দু-বারের তারকা সাংসদ শতাব্দী রায় প্রথম থেকেই জয় নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন। সবকিছুর পরও কোথাও একটা ‘কিন্তু’ ছিলই। অনুব্রতহীন বীরভূমে দুটি আসন জিতিয়ে আনা একরকম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিরোধীদের থেকেও অন্তর্কলহ-কাঁটাই বেশি ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটা সময়ে। তবে ভোটের মরশুমে তিহাড়ে বসেও লোকসভা নির্বাচনে কার্যত বীরভূমেই ছিলেন কেষ্ট! জেলাজুড়ে প্রায় সব ব্যানার, হোর্ডিংয়ে দেখা গিয়েছিল অনুব্রতকে। তাঁকে সামনে রেখেই চলেছে প্রচার। তাঁর পদ্ধতিতেই ভোট করানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন অনুগামীরা। একটা সময়ে শতাব্দী-অনুব্রত কোন্দল রীতিমতো চর্চায় চলে এসেছিল। এহেন শতাব্দীও ভোটের মুখে বলেছিলেন, কেষ্টকে মিস করছেন। তাঁর দেখানো পথেই চলছে কাজ। কেষ্টর পথে হেঁটেই মিলল সাফল্য। আরও একবার জেলা জুড়ে সবুজ-ঝড়। বোলপুর ও বীরভূম বিরাট ব্যবধানে এবারও দুটি আসনই নিজেদের দখলে নিল শাসকদল। ধারেকাছে নেই বিরোধী শিবির। আর জয়ের সেই বহর দেখে তৃণমূল-অন্দরেই নাকি অনেকে বলাবলি করছেন, রাখে কেষ্ট হারে কে!

[আরও পড়ুন: মতার গ্যারান্টি আর অভিষেকের পরিশ্রমেই ‘এভারগ্রিন’ বাংলা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.