Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Elephant

দাঁতালের লাগাতার হানায় মালবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি রেশন দোকান

করোনা কালে খাবারের জোগান নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয়রা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১৬:০৯

options
link
দাঁতালের লাগাতার হানায় মালবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি রেশন দোকান zoom
Advertisement

অরূপ বসাক, মালবাজার: বিশাল দেহ নিয়ে যখন-তখন চলে আসে লোকালয়ে। লেজ দুলিয়ে লন্ডভন্ড করে দেয় চারপাশ। কারও তোয়াক্কা করে না। সবকিছু লন্ডভন্ড করে আবার চলে যায় জঙ্গলের অন্দরে। একবার নয় একাধিকবার মালবাজারের ধরনীপুর চা-বাগানের সরকারি রেশন দোকানে এভাবে তাণ্ডব চালিয়েছে দাঁতাল হাতিটি। গত কয়েকদিন ধরেই দাঁতালের উপদ্রব্রে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।

[আরও পড়ুন:একাকী জীবন, সহচরীর খোঁজে ফের ছাদনাতলায় বাহাত্তরের বৃদ্ধ]

করোনার আবহে মালবাজার মহকুমার নাগ্রাকাটা ব্লকের ধরনীপুর চা বাগান এলাকার সরকারি রেশন দোকান থেকেই এলাকার বাসিন্দাদের চাল, ডাল, গমস আটা সরবরাহ করা হয়। তাতেই দৈনিক আয়ের মজদুরদের খাবারের অনেকটা সুরাহা হয়। কিন্তু এতে বেশ কিছুদিন ধরেই বাধ সাধছে বুনো হাতিটি। আচমকাই ডায়নার জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই রেশন দোকানের টিনের চাল ভেঙে দিয়েছে। ভেঙে দিয়েছে দোকানের লোহার গ্রিল। সামনের দরজাও ভেঙে দিয়েছে নিজের বিশাল শরীর দিয়ে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রেমের সম্পর্ক মানতে না পারায় বাবা-দাদার হাতে ‘খুন’ কিশোরী, ঘর থেকে উদ্ধার দেহ]

স্থানীয়দের সরবরাহ করার জন্য সরকারি রেশন দোকানে চাল, গম, আটা-সহ অন্যান্য খাবার সামগ্রী রাখা থাকে। তাও নষ্ট করে দেয় দাঁতাল হাতিটি। নিজে কিছুটা খেয়ে নেয়। বাকিটা ছড়িয়ে দিয়ে চলে যায়। মঙ্গলবার রাতেও রেশন দোকানে তাণ্ডব চালায় দাঁতালটি। লাগাতার এমন হাতির হানায় আতঙ্কিত রেশন দোকানের মালিক। আতঙ্কে রয়েছেন আশেপাশের বাড়ির বাসিন্দারাও। অভিযোগ, হাতির হানার কথা স্থানীয় বনদপ্তরকে একাধিকবার বলা হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এলাকার বাসিন্দা কিশল ওরাঁও বলেন, “এর আগেও এই রেশন দোকান ভেঙে ৬ কুইন্টাল চাল খেয়ে যায় হাতি। আবার ভাঙল। আমরা সবাই খুব আতঙ্কে আছি।” রেশন দোকানের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সীতারাম ওরাঁওয়ের কথায়, “আগেও দু’বার রেশন দোকান ভেঙেছে হাতি। তখন আমরা ঋণ নিয়ে দোকানটি বানিয়েছিলাম। আবার ভাঙল। এবার সরকার না বানালে রেশন দেওয়া সম্ভব হবে না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.