রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: আসানসোলের সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ বংশগোপাল চৌধুরীর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এবার পার্টিতে চর্চা তুঙ্গে। দলের রাজ্য সম্মেলনের আগে যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্কও। চরম অস্বস্তিতে পড়েছে আলিমুদ্দিনও। সোশাল মিডিয়ায় বংশগোপাল পোস্ট করে লিখেছেন, ”এলাকার নেতাদের আগে বুঝতে হবে, নিজের এলাকা রাজ্য কমিটি পরিচালনা করে না। নিজের ইচ্ছা পূরণ করতে বামপন্থী দলে থাকার দরকার নেই।” সিপিএম নেতার এই পোস্ট ঠিক কাকে উদ্দেশ করে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। বংশগোপাল চৌধুরী শুধু প্রাক্তন মন্ত্রী নন, সাংসদও ছিলেন।
পার্টির মধ্যে চর্চা, প্রাক্তন সাংসদের নিশানায় কি সিপিএমের যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়? নাকি বর্ধমানেরই আরেক নেতা আভাস রায়চৌধুরী? তাঁর পোস্টে একটা বিষয় স্পষ্ট, তিনি যাঁর উদ্দেশে করে কথাগুলি লিখেছেন, তিনি এলাকারই নেতা আবার রাজ্য কমিটিরও সদস্য। সেক্ষেত্রে মীনাক্ষী ও আভাস রায়চৌধুরীর নামটাই সর্বাগ্রে চর্চায় উঠে এসেছে। ফলে এটা নিয়ে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলেও।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে প্রথম ভোটে দাঁড়িয়েই বিধায়ক হয়েছিলেন বংশগোপালবাবু। ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা বিধায়ক ছিলেন। আবার ২০১৪ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন আসানসোলের। একদা বর্ধমান জেলায় পার্টির দক্ষ সংগঠক প্রাক্তন এই সাংসদ। ফলে ফেসবুক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করে কাকে নিশানা করতে চেয়েছেন, সেটা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে পার্টিতে। আর যেদিন তিনি সমাজমাধ্যমে এই পোস্ট করেছেন, সেদিন কলকাতায় সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকও ছিল। তাছাড়া রাজ্যে সিপিএমের জেলা সম্মেলন প্রায় শেষের মুখে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে হুগলির ডানকুনিতে পার্টির রাজ্য সম্মেলন শুরু হচ্ছে। তার ঠিক আগে সিপিএমের প্রাক্তন সাংসদের এই পোস্টে বিদ্রোহের ছায়াই দেখছে রাজনৈতিক মহল। এ প্রসঙ্গে সিপিএমের এক শীর্ষনেতার বক্তব্য, ফেসবুক দেখে পার্টি চলে না। তাই এর কোনও উত্তর নেই।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা