সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ষষ্ঠীর লুচি ভোগ দিয়ে শুরু। অষ্টমীর আনন্দভোগ হয়ে বিজয়ার মিষ্টিমুখ পর্যন্ত একটা অদ্ভুত নেশায় কেটে যায় ওই চারটে দিন। কিন্তু প্রাণের পুজো শুধুই কি একটা উৎসব? শুধুই আনন্দ, পেটপুজো, ঘুরে বেড়ানো? না হয়তো। সীমানার বাইরে যে আরেকটা জীবন আছে, কজন মনে রাখি আমরা? সেই জীবনকেই খুঁজে পাওয়া যায় এই চারদিন।
[মন্দিরের প্রসাদ কতটা স্বাস্থ্যকর? আরটিআই রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য]
সেই রকমই একটা খোঁজের শুরু ২০০ বছর আগে। তখন থেকে আজ পর্যন্ত হুগলির নন্দী পরিবার পুজোর চারটে দিন ভুরিভোজের ব্যবস্থা করে এলাকার মুসলিম ফকিরদের জন্য। তাঁদের না খাওয়ালে যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায় পুজো। স্থানীয় মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে নন্দী বাড়ির পুজো তাই সমান গুরুত্বের, সমান অর্থবহ।
[আলপনায় রাস্তা রাঙিয়ে শহরে রঙিন মহালয়া]
বাড়ির কর্তা ৮০ বছরের সতিপতি নন্দী, এই পরিবারের নবম পুরুষ। তাঁর মতে হিন্দু-মুসলিম সমস্যা মানুষের তৈরি, ধর্ম কোনও মানুষকে আলাদা হতে শেখায় না। তাই কোনও ধর্মের সঙ্গে কোনও ধর্মের বিরোধ নেই কোনওভাবেই। হুগলির পাণ্ডুয়ায় আদি বাস নন্দী পরিবারের। পুজোও হয় সেখানেই। অবশ্য হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতির নজির দুর্গাপুজোর ক্যানভাসে ইতিউতি ছড়িয়েই থাকে। তাই সতিপতি নন্দী বলছেন, এমন এক সময়ের মুখোমুখি আমরা, যখন হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির নজির গড়তে হয়। কিন্তু এই সংস্কৃতি আমাদের নিজস্ব।
[মহালয়ায় ভাসল শহর, এবার পুজোতেও কি প্রবল বৃষ্টি?]
প্রতি বছর নবমীর দিন ফকিরদের ভোগ খাওয়ানোর রেওয়াজ আছে এই পরিবারে। যদিও এখন আলাদা করে ফকির নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রত্যেকে যোগ দিতে পারেন নন্দী বাড়ির পুজোয়। এক পংক্তিতে বসে ভোগ খান তাঁরা। এভাবেই জীবনের উদযাপনেই আলাদা রং যোগ হয় আমাদের প্রাণের উৎসবে ।
সর্বশেষ খবর
-
‘ছয়-সাতবার অডিশন দিয়েছি’, গায়িকা থেকে নায়িকা হওয়ার জার্নি নিয়ে আড্ডায় রাপূর্ণা
-
ইউক্রেনে তাণ্ডব রাশিয়ার, ভয়ংকর হামলায় কিয়েভে মৃত ২৭, তড়িঘড়ি দেশে ফিরলেন জেলেনস্কি
-
পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়! এবার আদালতে যাচ্ছেন ১০৫ সেতুর নিচের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা
-
ধোনির যোগ্য উত্তরসূরি হার্দিকই! তারকা অলরাউন্ডারের দলবদল নিয়ে মুখ খুলল সিএসকে
-
‘ফুটবল মহাকাব্য হলে, আপনি কর্ণ, যুদ্ধবিধ্বস্ত ক্রোয়েশিয়ার আলো’, লুকা মদ্রিচকে খোলা চিঠি