আকাশনীল ভট্টাচার্য,ব্যারাকপুর: দীর্ঘ পনেরো বছর বাদে পিতা-পুত্রের মেলবন্ধন ঘটল। মেলবন্ধনের স্থান বীজপুর থানা। ১৫ বছর আগে নিখোঁজ ছেলেকে পেয়ে খুশি পরিবার। ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল বীজপুর থানার হালিশহর খাসবাটির বাসিন্দা ১৫ বছরের সঞ্জয় কুমার বোস স্কুলে যাবার নাম করে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। সঞ্জয় তখন নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। বহু খোঁজাখুজির পর ছেলের সন্ধান না মেলায় বীজপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন সাধন কুমার বোস।
[বধূর রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য পূর্ব যাদবপুরে, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ মৃতার মায়ের]
কয়েকদিন আগে হালিশহর সরকার বাজার এলাকায় একটি মিষ্টির দোকানে এক যুবককে ছানা দিতে দেখতে পান সাধন বাবু। ওই যুবকের মুখ হারিয়ে যাওয়া ছেলে সঞ্জয়ের মতোই মনে হয়েছিল সাধন বাবুর। তখন ওই ছানা দিতে আসা যুবকের পরিচয় জানতে চান সাধন বাবু। ওই যুবক সাধন বাবুকে জানান, তাঁর বাড়ি নদিয়া জেলার তাহেরপুরে। নাছোড়বান্দা হয়ে তাঁকে তিনি খাসবাটিতে আনেন। তখন পুরনো কিছু স্মৃতি মনে পড়ে যায় সঞ্জয়ের। শুক্রবার দুপুরে ফের সঞ্জয় ওই মিষ্টির দোকানে ছানা দিতে আসেন। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে ছিলেন সাধন বাবু।
[নাতির অপমানে ভিটে ছাড়া বৃদ্ধা, ঠাকুরমাকে উদ্ধার করলেন ‘পুলিশ নাতি’]
স্থানীয় পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবককে থানায় নিয়ে যায়। সমস্ত নথিপত্র নিয়ে বীজপুর থানায় হাজির হলেন সাধন বাবুও। বহু বছর বাদে পিতা-পুত্রের মিলন ঘটল বীজপুর থানায়। পুলিশ অফিসার সুভাস ঘটক জানালেন, ওই যুবক জানিয়েছেন বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। সেই দুর্ঘটনার পর থেকে মাথাটা একটু গন্ডগোল হয়েছিল। প্ৰথমে তাহেরপুরে একজনের বাড়িতে থাকতেন। সেই ব্যক্তি চার বছর বাদে তাঁকে আরেকজনের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এমনকি ওর বাবা সাধন বাবু তৎকালীন সময়ের মিসিং ডায়েরিও দেখান। সম্পূর্ণ নিয়ম-কানুন মেনেই যুবককে তাঁর বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিকে অনেক বছর বাদে নিজের জন্ম ভিটা ফিরে পেয়ে আপ্লুত সঞ্জয় কুমার বোস।
সর্বশেষ খবর
-
বুনো হাতি পিষেছিল দম্পতিকে, ১৪ বছর পরে সেই ‘যমদূত’ই মারল পরিবারের অন্য দু’জনকে
-
‘ও বরাবরই নোংরা, দোষ করেছে তাই গুলি খেয়েছে’, বারুইপুরে এনকাউন্টারে নিহত স্বামীর প্রতি একরাশ ক্ষোভ স্ত্রীর!
-
ছত্তিশগড়ে পিগ আয়রন কারখানায় ভয়ংকর বিস্ফোরণ, মৃত্যু ৩ শ্রমিকের
-
‘দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা হোক’, বারুইপুর কাণ্ডে অভিযুক্তের মৃত্যুতে বলছেন কামদুনির দুই প্রতিবাদী
-
ম্যাচ জিতিয়েও বাঁধ মানছে না কান্না! বিজয়াশ্রু নয়, মেসির চোখের জলের নেপথ্যে অন্য কাহিনি