Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬
Baruipur

‘দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা হোক’, বারুইপুর কাণ্ডে অভিযুক্তের মৃত্যুতে বলছেন কামদুনির দুই প্রতিবাদী

বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারে মৃত্যু। এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বঙ্গ রাজনীতিকে। ঘটনার পর রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কামদুনি কাণ্ডের অন্যতম প্রতিবাদী দুই মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১১:৪৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১১:৪৯

options
link
‘দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা হোক’, বারুইপুর কাণ্ডে অভিযুক্তের মৃত্যুতে বলছেন কামদুনির দুই প্রতিবাদী zoom
কামদুনির দুই প্রতিবাদী।

বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারে মৃত্যু। এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বঙ্গ রাজনীতিকে। ঘটনার পর রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কামদুনি কাণ্ডের অন্যতম প্রতিবাদী দুই মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল। “আমরা বিচার পাইনি। সব দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা উচিত।” এমনই দাবি করেছেন টুম্পা ও মৌসুমি। শুধু তাই নয়, বিগত তৃণমূল সরকার ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেছেন তাঁরা।

তৃণমূল জমানায় বারাসতের কামদুনির ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা বাংলাকে। ২০১৩ সালে কামদুনিতে এক ২০ বছর বয়সী কলেজছাত্রীকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুন করা হয়। সেই ঘটনায় প্রবল ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল এলাকায়। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেসময় কামদুনি গিয়েছিলেন। বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হয়েছিল তাঁর সামনেও। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মাওবাদীরা আছে, এমনই মন্তব্য করেছিলেন তিনি! টুম্পা ও মৌসুমিকেও পরবর্তীকালে তৃণমূলের রোষানলে একাধিকবার পড়তে হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৬ সালে নিম্ন আদালত ৩ জন অভিযুক্তকে ফাঁসি ও ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। মামলা যান কলকাতা হাই কোর্টে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ফাঁসির সাজা মুকুব করে। দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি তিনজনকে বেকসুর মুক্তি দেওয়া হয়। রাজ্যের তরফে ঠিকমতো আদালতে তথ্য দেওয়া হয়নি, পুলিশি তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ‘ধর্ষণ ও খুনে’র ঘটনা ফের হইচই ফেলে দেয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে! ঘটনার পুর্ণনির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালাতে চেষ্টা করে বলে শোনা গিয়েছিল। অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে! সেসময় এনকাউন্টারে অভিযুক্ত প্রভাস মারা গিয়েছে।

সেই ঘটনা নিয়ে এবার মন্তব্য করেছেন কামদুনি দুই প্রতিবাদী টুম্পা ও মৌসুমি। কামদুনির সঠিক বিচার হয়নি বলে ফের দাবি করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, “দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা হোক”, এমনই দাবি করেছেন তাঁরা। এভাবেই ধর্ষকদের শাস্তি হওয়া উচিত, এমনই দাবি করেছেন। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতেন, তাহলে এমন ঘটনা বাংলায় কমে যেত। এমনই দাবি করেছেন তাঁরা। তৃণমূল সরকার দোষীদের আড়াল করেছেন! এমনই অভিযোগ করেছেন মৌসুমি। “এনকাউন্টারে বাংলার মেয়েরা শান্তি পেয়েছে। মমতার সময়ে দোষীদের শাস্তি হলে এই ঘটনা ঘটত না।” এমনই জানিয়েছেন মৌসুমি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.