স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৬-এর মহারণের মুখে রাজ্যজুড়ে সংগঠন চাঙা করতে বিজেপি যে পথসভা কর্মসূচি শুরু করেছে, তাতে তেমন সাড়া মিলছে না। পথসভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতিই সেভাবে নেই। স্থানীয় হাতেগোনা কিছু কর্মী থাকছেন অবশ্য। শ্রোতার ভিড় না থাকায় অনেক জায়গাতেই দ্রুত শেষ করে দিতে হয়েছে সভা। ফাঁকা পথসভার ছবি ভাবাচ্ছে রাজ্য নেতৃত্বকে। নীচুতলায় দলীয় সংগঠনের এই ছবি নিয়ে চিন্তায় গেরুয়া শিবির।
রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর শুরুর আগেই পথসভার মাধ্যমে কার্যত নির্বাচনী প্রচারে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। দলের সাংগঠনিক শক্তিকেন্দ্র ভিত্তিক একটি করে পথসভা। ৫-৬টি বুথ নিয়ে একটি করে শক্তিকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। মোট ১৩ হাজার শক্তিকেন্দ্রে পথসভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মোট ১৩ হাজার পথসভা হবে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্দেশ দিয়েছিল, এলাকার সব নেতাকে উপস্থিত থাকতে হবে পথসভায়। কিন্তু পথসভায় লোক কোথায়? ৫-৬টি বুথ নিয়ে একটি পথসভা, অথচ সেখানে সর্বস্তরের কর্মী-সমর্থকদের দেখা যাচ্ছে না। পুরুলিয়া, হুগলি এবং জলপাইগুড়ির কয়েকটি জায়গায় একটু লোক হয়েছে। কিন্তু বাকি জায়গায় এই কর্মসূচিতে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
তৃণমূলের কটাক্ষ, বিজেপির কথা কেউ শুনতে চাইছে না। বিজেপি নেতাদের গ্রহণযোগ্যতাও নেই এলাকায়। এদিকে, গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, নীচুতলায় এই কর্মসূচিতে শুরুতেই ধাক্কা খাওয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব বিষয়টিকে ভালভাবে নিচ্ছে না। তাই দলের শীর্ষস্তর থেকে জেলা সভাপতি, জেলা পর্যবেক্ষক, বুথ সভাপতিদের নির্দেশ পাঠিয়ে বলা হয়েছে, সভার তারিখ এবং সময় জেলা সভাপতিকে জানাতে হবে। কোনও পথসভা জেলা নেতৃত্বকে না জানিয়ে করা যাবে না। এমনভাবে সভা করতে হবে যাতে আশপাশের কর্মীরা আসতে পারেন।
সর্বশেষ খবর
-
দুর্নীতি পাঁক থেকে বেরতে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষ নিয়োগে নয়া তালিকা প্রকাশ এসএসসি-র
-
শুটিংয়ে ফের লক্ষ্যভেদ, ভারতে এল এশিয়াডের পঞ্চম সোনা, পদক সংখ্যায় হাফসেঞ্চুরি!
-
রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারে প্রবল বিস্ফোরণ, হুড়মুড়িয়ে ভাঙল বাড়ি, উত্তরপ্রদেশে মৃত ৪
-
কুনালের পর অগ্নিমিত্রার সঙ্গে মঞ্চভাগ, ‘দলবদলু’ তকমা জুটতেই শ্রীলেখার হেঁয়ালি, ‘ভাবনা তো ট্যাক্স ফ্রি’
-
বাতিল সব ম্যাচ, না জিতেই সেমিতে চার দল! এশিয়াডে ফের সোনা জিততে শ্রেয়সদের প্রতিপক্ষ কারা?