BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পৌষে শীতের আগমনী, রবিবার মরশুমের শীতলতম দিন

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 17, 2017 4:12 am|    Updated: September 19, 2019 11:54 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অগ্রহায়ণে কয়েক দিনের চমক। ক্ষণিকের অতিথি হওয়া। তারপর শীত যেন চলে গিয়েছিল শীতঘুমে। পৌষ পড়তেই হিমেল হাওয়া ঢুকল দক্ষিণবঙ্গে। যার ধাক্কায় ফের কিছুটা নামল পারা। রবিবার সকালে কলকাতার পারদ নেমে যায় ১৪.৫ ডিগ্রিতে। যা মরশুমের শীতলতম।

[বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিপত্তি, ছুটির সকালে শিয়ালদহে ব্যাহত ট্রেন চলাচল]

মেজাজ ভাল থাকার এই রসদ থাকবে কত দিন? সে গুড়ে অবশ্য বালি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মঙ্গলবার পর্যন্ত এই ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব মিলবে। তাপমাত্রা খানিকটা নামতে পারে। এর বেশি কিছু নয়। পরে শীতের মেজাজ বিগড়ানোর সম্ভাবনা রয়েইছে। তার কারণ জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন একটি নিম্নচাপ হানা দিতে পারে। তার প্রভাবে ফের শীতের পথ বাধার মুখে পড়তে পারে। রবিবার থেকে তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত দিয়েছিল হাওয়া অফিস। বাতাসে জলীয় বাষ্প কমতেই রবি সকালে নিম্নমুখী হয় পারদ। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৯ ডিগ্রি। এক ধাক্কায় রবিবার পারদ নেমে যায় ১৪.৫ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। মরশুমে এই প্রথম এতটা নামল পারদ। শীতলতম দিনে ভালই টের মিলেছে উত্তুরে হাওয়া। সকালে যারা বেরিয়েছেন ঠান্ডার আদর তারা ভালমতো অনুভব করেছেন। তবে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। কলকাতার পাশাপাশি ঠান্ডা বেড়েছে জেলাগুলিতেও। বাঁকুড়ার পারদ নেমেছে ১৫.১ ডিগ্রি, আসানসোল ১৪.৮, ডায়মন্ডহারবার ১৬.৮, শ্রীনিকেতন ১২.৬ এবং বহরমপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৬। আর শৈলশহর হিমাঙ্কের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। রবিবার সকালে দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা নেমে যায় ১ ডিগ্রিতে।

[কলকাতা বিমানবন্দরে অভিনেতা কৌশিক সেনকে হেনস্তা, গ্রেপ্তার ১]

গত ২২ নভেম্বর শীত ভেলকি দেখিয়েছিল। সেদিন পারদ নেমেছিল ১৬.৬ ডিগ্রিতে। এরপর ধাপে ধাপে পারদ নেমে যায় ১৪.৬ ডিগ্রিতে। কিন্তু ডিসেম্বরের শুরু থেকেই শীত দিশা হারায়। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জন্য শীতের ব্যাড প্যাচ চলে। দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে একসময় ২১.৭ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল। তপ্ত ডিসেম্বরে অবশ্য শেষ পর্যন্ত কিছুটা ঠান্ডার খোঁজ পেলেন শীতবিলাসীরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement