কল্যাণ চন্দ্র, বহরমপুর: এক রাতের ব্যবধানে ভাঙড় ও মালদহে খুন হন দুই তৃণমূল নেতা। ঠিক কী কারণে খুন, কে বা কারা এই ঘটনায় জড়িত – তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে দুই ঘটনার জন্য নাম না করে বিজেপিকেই দুষছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
শুক্রবার বহরমপুরে যান ফিরহাদ হাকিম। সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল খুনে বিশ্বাস করে না। আমাদের আত্মত্যাগে মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ আমাদের ক্ষমতায় এনেছে। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন বদলা নয়, বদল চাই। নতুন বাংলা গড়তে চাই। কিন্তু যে দলটা ধর্মীয় উসকানি দিয়ে গুজরাটের মতো হিংসা করছে। ভয়াবহ হিংসার সংস্কৃতি আনার চেষ্টা করছে। বাংলা হিংসা বিশ্বাস করে না। আমাদের বাংলা চৈতন্যর বাংলা। আমরা বলি মেরেছো কলসির কানা, তা বলে কি প্রেম দেব না?” যদিও পালটা বিজেপির তরফে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন রাজ্জাক খাঁ দলীয় বৈঠক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি চালায়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে জোর শোরগোল শুরু হয়। ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা খুনের রেশ কাটতে না কাটতে ওই রাতেই মালদহের তৃণমূল নেতা আবুল কালাম আজাদ খুন হন। তিনি জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিলেন। ঘরে বন্দি করে রেখে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নেপথ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলেই দাবি বিরোধীদের। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
ভালোবাসার প্রমাণ রাখার মরিয়া চেষ্টা, প্রেমের জোয়ারে ধ্বংস মামা-ভাগ্নের সৌন্দর্য
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা! দ্রুত সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ শেষের আর্জি সাংসদের
-
‘বাবা ভুল করেছে, প্রায়শ্চিত্তও…’, বিগ বস বাংলার গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে চোখে জল তাপসকন্যা সোহিনীর
-
চিপস-ঠান্ডা পানীয়ে ‘বিষ’, তবু লোভ সামলাতে পারছেন না? এবার প্রতি প্যাকেটে থাকবে বিপদবার্তা!
-
মেঘালয়ে নাকা তল্লাশিতে পুলিশের উপর হামলা! পালটা গুলিতে নিহত ৪ সশস্ত্র দুষ্কৃতী