ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: টানা বৃষ্টিতে ফাটল দেখা দিল বনগাঁ শাখার রেললাইনে। ব্যস্ত সময়ে ব্যহত হল ট্রেন চলাচল। নাকাল হতে হল নিত্যযাত্রীদের। ঘটনাটি ঘটেছে গুমা স্টেশনের কাছে। যার জেরে দেরিতে চলছে বনগাঁ লাইনের বেশ কিছু ট্রেন।
[অনলাইনে কেনাকাটার বিল মেটাতে নিজেরই অপহরণের গল্প পড়ুয়ার]
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যে নাগাদ গুমা স্টেশনের একটু আগে ডাউন লাইনে সামান্য ফাটল দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান রেলের আধিকারিকরা। ফাটল খুব একটা বড় নয় বলে আশ্বস্ত করেছেন তাঁরা। তবে সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য ওই জায়গা দিয়ে খুবই আস্তে ট্রেন চালানো হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে দেরিতে ট্রেন চলায় অসুবিধায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। একে সারাদিনের একঘেয়ে বৃষ্টিতে নাজেহাল তাঁরা। তার উপরে ট্রেন দেরিতে চলায় অনেকেই বিরক্ত বোধ করছেন।

রেলের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, খুব শিগগিরিই ফাটল সারিয়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টি ও অন্ধকারের কারণে তাঁদেরও কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে।
[রেজিস্ট্রি বিয়ে বাতিল করে অন্য যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক, তরুণীর রহস্যমৃত্যু]
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বনগাঁ শাখায় অসুবিধায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। সে সময় মানুষের বিক্ষোভের কারণে ট্রেন আটকে পড়েছিল দুর্গানগর স্টেশনে। আপ হাসনাবাদের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। আহত হয়েছিলেন দুই যুবক। এরপরই স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করে দেন। পরের আপ দত্তপুকুর লোকালে ভাঙচুর করা হয়। অভিযোগ ছিল, স্টেশনে নিয়মিত ঘোষণা করা হয় না কোন ট্রেন আসছে। এর ফলেই গ্যালোপিন হাসনাবাদ আসার খবর কেউ জানতে পারেননি। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এর পরই ট্রেন এগোতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে অবশ্য যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ট্রেন যাত্রায় বিঘ্নিত হয়েছে।
[খড়গপুরে ইন্টারলকিংয়ের কাজ, রবিবার ১২ ঘণ্টা বন্ধ দক্ষিণ-পূর্বের ট্রেন]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের সেরা গোল! মেসিদের ভয় ধরিয়ে গ্যালারিতে কার উষ্ম আদরে কেপ ভার্দের তারকা?
-
সরকারের উন্নয়নযজ্ঞে শামিল হওয়ার বার্তা, হাওড়া জেলা পরিষদে এবার নয়া সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি
-
পালাবদল হতেই আন্দোলনের পথ ছাড়ল কুড়মিরা, রেল-সড়ক অবরোধ থেকে সরে আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীকে
-
বিনা যুদ্ধে নাহি দিব… হেরেও অমলিন থাকবে ভোজিনহাদের রূপকথা, কষ্টের জয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা
-
নির্দল থেকে চেয়ারম্যান পদে! তৃণমূলের সমর্থনে কামারহাটির পুরপ্রধান লকেটের দাদা