Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
হিমালয়ে হাহাকার
Nepal Flash Flood

পাহাড় থেকে নেমে আসছিল মৃত্যু! চালকের সতর্কতায় বাঁচল প্রাণ, নেপাল থেকে ফিরলেন বসিরহাটের দম্পতি

দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা, আতঙ্কে কেটেছিল প্রহর। অবশেষে বিধ্বস্ত নেপাল থেকে বাড়ি ফিরলেন বাংলার বসিরহাটের বাসিন্দা দম্পতি। বাড়ি ফিরলেও এখনও আতঙ্কের রেশ সবটা কাটিয়ে উঠতে পারেননি স্বামী-স্ত্রী।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৬:২০

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৬:২০

options
link
পাহাড় থেকে নেমে আসছিল মৃত্যু! চালকের সতর্কতায় বাঁচল প্রাণ, নেপাল থেকে ফিরলেন বসিরহাটের দম্পতি zoom
বাড়ি ফিরলেন ওই দম্পতি। নিজস্ব চিত্র

দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা, আতঙ্কে কেটেছিল প্রহর। অবশেষে বিধ্বস্ত নেপাল থেকে বাড়ি ফিরলেন বাংলার বসিরহাটের বাসিন্দা দম্পতি। বাড়ি ফিরলেও এখনও আতঙ্কের রেশ সবটা কাটিয়ে উঠতে পারেননি স্বামী-স্ত্রী। ঘুরতে গিয়ে এমন ভয়ানক অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়তে হবে, কল্পনাও করতে পারেননি প্রৌঢ় অনুকূল পোদ্দার ও রেবা রায় পোদ্দার। আজ, রবিবার ভোরে ট্রেনে করে হাওড়া স্টেশনে নেমেছিলেন তাঁরা। ওই দম্পতিকে স্টেশনে নিতে উপস্থিত হয়েছিলেন বসিরহাট থানার আইসি সহ পুলিশের একটি টিম। পুলিশের গাড়িতে স্বামী-স্ত্রী বাড়ি ফিরেছেন।

নেপালে হিমবাহ ভাঙা ও হড়পা বানে (Nepal Flash Flood) হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ, মৃত্যুমিছিল ক্রমে বাড়ছে। বেড়াতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৩৯ জন নিখোঁজ বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। পরে খবর আসে এই দুই দম্পত্তি অক্ষত রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। ওই দম্পতি থেকে দ্রুত বাংলায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা হয়। গত ২১ অগস্ট একটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে অনুকূল পোদ্দার ও রেবা রায় পোদ্দার মানস সরোবর যাত্রা করেছিলেন। বিপর্যয়ের দিন সকালে কাঠমাণ্ডু থেকে যাত্রা শুরু হয়। কিছু সময় পরে বিপর্যয়ের খবর পেয়েছিলেন ট্যুর ম্যানেজার। বিপর্যস্ত এলাকা থেকে মাত্র দেড় ঘণ্টার দূরত্বে ছিলেন তাঁরা। সেখান থেকেই ফিরে আসেন তাঁরা।

Advertisement

ওই দম্পতি জানিয়েছেন, সেদিন সকাল সাড়ে ছ’টায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তাঁরা। একটি গাড়িতে বাঙালিরা, অন্যটিকে দক্ষিণ ভারতীয় পরিবাররা ছিল। গাড়ির চালক দেখতে পেয়েছিলেন, দূরে পাহাড় থেকে জল নেমে আসার ছবি! সাদা ধোঁয়ার মতো সেই জল নেমে আসছিল। কতটা ভয়াবহ বিষয় হয়েছে। তখনও বোঝা যায়নি। কিছু সময়ের মধ্যেও মানুষজন ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। বাচ্চারা ভয়ে কাঁদতে থাকে। মানুষজন তখন প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন। গাড়ির চালক ততক্ষণে গাড়ি পিছিয়ে নিয়ে গিয়েছে। ডানদিকের রাস্তা ধরে পাহাড়ের উপরে একটি নিরাপদ দূরত্বে গাড়ি থামানো হয়।

এরপর তাঁদের কাছে ফোন আসে ট্যুর ম্যানেজারের। জানানো হয়, ইমিগ্রেশন অফিস যাওয়ার ব্রিজটি হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে। এরপর কাঠকাণ্ডুতে ফিরে আসেন তাঁরা। এরপর আর কোনও সমস্যা হয়নি। পরে দেখা যায় নেপালের একটি অংশ প্রায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে। বাড়ি ফিরলেও ঘটনার কথা মনে করছেন ওই দম্পতি। অনুকূল পোদ্দার ও রেবা রায় পোদ্দার বাড়ি ফিরে আসায় স্বস্তি প্রতিবেশীদেরও। তাঁরা ফুল দিয়ে এদিন দম্পতিকে স্বাগত জানান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.