সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে খোদ এফসিআইয়ের গুদামে নিম্নমানের চাল দেখে ক্ষুব্ধ খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। সঙ্গে সঙ্গে আটকে দিলেন বণ্টন। খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সাফ জানালেন, ‘‘এই চাল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এগুলো পাঠাবেন না।” পরে বেশ কিছু বস্তা থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করার জন্য রাজ্যের ল্যাবে পাঠানোরও নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের এফসিআই গুদামে পরিদর্শনে গিয়ে বেশ কিছু বস্তায় নিম্নমানের চাল দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।
খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া জানিয়েছেন, এবারেও কৃষকদের থেকে রাজ্য সরকার সহায়ক মূল্যে ধান কিনবে। তিনি বলেন, ‘‘সরকার সরাসরি ধান কিনে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের আমরা তাড়ানোর ব্যবস্থা করব। রাইস মিলগুলোতে সঠিক প্রোক্রিওরমেন্টের মাধ্যমেই যেন চালের সুষ্ঠুভাবে বণ্টন হয় সেটাও আমরা দেখছি। কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুন। আগের বদঅভ্যাসের বহু পরিবর্তন দেখতে পারবেন।”
আরও পড়ুন:
এদিন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া জানিয়েছেন, এবারেও কৃষকদের থেকে রাজ্য সরকার সহায়ক মূল্যে ধান কিনবে। তিনি বলেন, ‘‘সরকার সরাসরি ধান কিনে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের আমরা তাড়ানোর ব্যবস্থা করব। রাইস মিলগুলোতে সঠিক প্রোক্রিওরমেন্টের মাধ্যমেই যেন চালের সুষ্ঠুভাবে বণ্টন হয় সেটাও আমরা দেখছি। কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুন। আগের বদঅভ্যাসের বহু পরিবর্তন দেখতে পারবেন।”

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের এফসিআই গুদাম পরিদর্শনের পর ভাতার বিধানসভার কুড়মুনে এক রেশন ডিলারের দোকানেও পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। তার মধ্যে অন্যতম বিজেপির সমর্থক হওয়ায় তৃণমূলের লোকজন কার্ড কেড়ে নিয়ে তাঁদের রেশন থেকে বঞ্চিত করেছে। এমনকী ডিলারও কয়েকমাস ধরে রেশন সামগ্রী দিচ্ছে না বলে অভিযোগ জানান। রেশন ডিলার কল্যাণ সামন্ত অসুস্থতার জন্য বাইরে ছিলেন মন্ত্রী ডিলারের ছেলে ও স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন।
রেশন সামগ্রীর স্টক মেলাতে গিয়ে এদিন গরমিলও ধরেন মন্ত্রী। এসব সমস্যা সামলে সেখান থেকে বর্ধমানের সার্কিট হাউসে আসেন মন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, এফসিআই গোডাউনে বেশ কিছু বস্তার চাল খারাপ মনে হয়েছে। নষ্ট হয়েছে বলেও মনে হয়েছে। সেগুলির ল্যাব টেস্টে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, ‘‘মানুষের খাবারের সঙ্গে কোনও আপস সরকার করবে না। কুড়মুন এলাকায় মানুষ সরাসরি তাদের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন। অনেকে এমনও রয়েছেন যাদের তিনতলা বাড়ি, গাড়ি আছে। বেশ কয়েক বিঘা জমি আছে। তারাও রেশনের দোকানে ভিড় করছেন। শুভেন্দু অধিকারির সরকারের একটাই নীতি – ‘জিরো টলারেন্স’। আর সেজন্যই আমি নিজে সবটা খতিয়ে দেখার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরছি।” বর্ধমান থেকে মন্ত্রী জামালপুরে যান। সেখানে বিজেপি বিধায়ক অরুণ হালদারের বিজয় মিছিলে যোগ দেন খাদ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একমাসে দ্বিতীয়বার! ফের বঙ্গে আসছেন শাহ, আগামী সপ্তাহে একগুচ্ছ কর্মসূচি
-
চলবে সেতু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, ফের ১৬ ঘণ্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, জেনে নিন বিকল্প পথ
-
বিশ্বকাপে সাফল্যের স্বীকৃতি! এবার ‘ম্যাজিশিয়ান’ ভোজিনহার নামে নতুন প্রাণীর নামকরণ
-
ডায়ালিসিস কাণ্ড থেকে ‘শাস্তিমূলক বদলি’! পালাবদলের বাংলায় কলকাতায় ফিরলেন একঝাঁক চিকিৎসক
-
নারীপাচারে বড় সাফল্য পুলিশের! ৭ দিনের মধ্যে রাজস্থান থেকে উদ্ধার মালবাজারের কিশোরী