ধীমান রায়, কাটোয়া: সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে কর্তৃপক্ষের সাড়া না পেয়ে ভাতারে কৃষি সমবায় সমিতির অফিস সিল করে দিয়ে গেলেন মহকুমা খাদ্য আধিকারিক। রবিবার বিকেলে এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও এদিন রবিবার থাকায় সমবায় অফিস বন্ধ ছিল। দেখা যায়, বিকেল পাঁচটা নাগাদ বর্ধমান (সদর) মহকুমা খাদ্য আধিকারিক দীপক মণ্ডল ভাতার থানার পুলিশবাহিনী সঙ্গে নিয়ে ভাতার সমবায় শষ্য উৎপাদন ও বিপনন সমিতি লিমিটেড অফিস সিল করে দিয়ে যান।
কিন্তু কেন এই পদক্ষেপ? দীপক মণ্ডল বলেন, “এখন সরকারি নির্দেশে সমবায় থেকে রেশন দোকান সর্বত্রই রুটিনমাফিক পরিদর্শন চলছে। শনিবার ও রবিবারেও পরিদর্শন হতে পারে। ভাতারের ওই সমবায় অফিসে পরিদর্শনের জন্য গিয়েছিলাম। সমবায় ম্যানেজারকে দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ফোন করে বলা হয়েছিল। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও আসেনি। তাই সিল করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার আবার যাব। যাতে এর মধ্যে কিছু অন্তর্ঘাত না হয় সেই জন্য সিল করে দিয়ে আসা হয়েছে।”
এদিন রবিবার হওয়ায় সমবায় অফিস বন্ধ ছিল। কিন্তু সরকারি নিয়মে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পাওয়া মাত্রই সমবায় অফিসে আসার কথা ম্যানেজারের। কিন্তু তিনি কেন আসেননি? যদিও ফোন করা হলেও সমবায় ম্যানেজার প্রিয়ব্রত সাঁতরার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বাড়িতে ফোন করলে জানা যায়, এদিন স্ত্রীর চিকিৎসার প্রয়োজনে প্রিয়ব্রতবাবু কলকাতায় গিয়েছিলেন। তাই তাঁর পক্ষে বিকেলের মধ্যে সমবায় অফিসে হাজির হওয়া সম্ভব হয়নি। খাদ্যবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, খাদ্য বন্টন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনার জন্য বর্তমানে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মহকুমা খাদ্য নিয়ামক বলেন, “আমাদের নির্দেশ আছে প্রতি মাসে ন্যূনতম আটটি করে রেশন ডিলার, দুটি করে ডিস্ট্রিবিউটার পয়েন্ট এবং তিনটি করে চালকলে পরিদর্শন করতে হবে। এর মধ্যে ছুটির দিনও আছে। এই রুটিনমাফিক পরিদর্শন চলে থাকে।”
সর্বশেষ খবর
-
মমতা আমলে তৈরি হওয়া কর্মতীর্থেও দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আসতেই চাঞ্চল্য বীরভূমে
-
অন্তঃসত্ত্বার পেটে ‘সন্তানের মুখ’, খাচ্ছে ডাব! কমেন্টে হবু মাকে ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ নেটদুনিয়ার
-
ভিখারি সেজে ৮ ঘণ্টায় উপার্জন ৪০০০! ইউটিউবারের কীর্তিতে নেটজগতে বিতর্ক
-
মহিলাদের মুখে ‘না’ শুনতে পারেন না, ‘স্পিরিট’ বিতর্কে ‘নারীবিদ্বেষী’ সন্দীপকে খোঁচা দীপিকার!
-
আন্ডার প্রসেস থেকে অ্যাপ্রুভ স্ট্যাটাস, আজও ঢুকছে অন্নপূর্ণার টাকা! কথা রাখল শুভেন্দু সরকার