Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Maipit

মৈপীঠে ফিরল বাঘের আতঙ্ক! ফের নদীর পাড়ে মিলল পায়ের ছাপ

তড়িঘড়ি জাল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে এলাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৫, ০৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৫, ০৯:৫৬

options
link
মৈপীঠে ফিরল বাঘের আতঙ্ক! ফের নদীর পাড়ে মিলল পায়ের ছাপ zoom
ফাইল ছবি

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: রাত পেরতে না পেরতেই ফিরল বাঘের আতঙ্ক। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৈপীঠে নদী সংলগ্ন এলাকায় মিলল পায়ের ছাপ। সঙ্গে সঙ্গেই বনদপ্তরে খবর দেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি শুরু হয় জাল দিয়ে এলাকা ঢাকার কাজ।

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। ওইদিন থেকে কুলতলির মৈপীঠে ছড়িয়েছিল বাঘের আতঙ্কে। কারণ, রাস্তার উপর মিলেছিল দক্ষিণরায়ের টাটকা পায়ের ছাপ। স্বাভাবিকভাবেই খবর দেওয়া হয়েছিল বনদপ্তরে। বাঘের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। কিন্তু ধরা দেয়নি বাঘ। বুধবার নদীর পাড়ে মেলে বাঘের পায়ের ছাপ। তা দেখে বনকর্মীরা অনুমান করেছিলেন বাঘ ফিরে গিয়েছে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে। পরবর্তীতে বনদপ্তরের তরফে তা নিশ্চিতও করা হয়। কিন্তু রাত পোহাতে না পোহাতেই মৈপীঠে ফিরল বাঘের আতঙ্ক। বৃহস্পতিবার সকালে নগেনাবাদে নদী সংলগ্ন এলাকায় মেলে বাঘের পায়ের ছাপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান বনদপ্তরের এডিএফও অনুরাগ চৌধুরী-সহ রেঞ্জার শুভায়ু সাহা ও অন্যান্যরা। তড়িঘড়ি জাল দিয়ে শুরু হয় জঙ্গল ঘেরার কাজ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিএফও নিশা গোস্বামী বলেন, “আজ সকালে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে, জঙ্গল ছেড়ে বাঘ ফের গ্রামে ঢুকেছে। তবে এখনও দেখা মেলেনি। বনদপ্তরের কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় জাল দিয়ে এলাকা ঘিরেছেন।” কিন্তু এতে আতঙ্ক একফোঁটাও কমেনি। দক্ষিণরায়ের ভয়ে দিশেহারা মৈপীঠবাসী। বনদপ্তরের তরফে আমজনতাকে আতঙ্ক না করে সতর্ক হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.