Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
সিডবল

আষাঢ়েও অনাবৃষ্টি! পুরুলিয়ায় জঙ্গল তৈরি করতে ‘সিড বল’ ছড়ানোর সিদ্ধান্ত বনদপ্তরের

'সিড বল' তৈরি করছে জঙ্গলমহলের বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১০:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১০:৩১

options
link
আষাঢ়েও অনাবৃষ্টি! পুরুলিয়ায় জঙ্গল তৈরি করতে ‘সিড বল’ ছড়ানোর সিদ্ধান্ত বনদপ্তরের zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: আষাঢ়েও অনাবৃষ্টি! তাই প্রকৃতির নিজের খেয়ালেই জঙ্গল সৃষ্টি করতে পাহাড় কোলের রুখা ভূমিতে ‘সিড বল’ ছড়াবে বনদপ্তর। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর হাতে তৈরি এই ‘সিড বল’ কার্যত খেলার ছলেই পতিত জমিতে ছড়িয়ে দেবে পড়ুয়ারা। চলতি বর্ষার মরশুমে বনদপ্তরের রুটিন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, কেরলের ঢঙে এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পুরুলিয়া বনবিভাগের অধীন কোটশিলা বনাঞ্চল। ইতিমধ্যেই কোটশিলা বনাঞ্চল তাদের দুটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী দিয়ে প্রায় চল্লিশ হাজার ‘সিড বল’ তৈরি করেছে। যা পশ্চিমাঞ্চলে এই প্রথম। তাছাড়া বৃক্ষরোপণ করে সবুজায়নের এই পদক্ষেপে জঙ্গলমহলের মহিলাদের রোজগারের পথ দেখাচ্ছে বন দপ্তর। কোটশিলা বনাঞ্চলের আধিকারিক সোমা সরকার দাস বলেন, “জঙ্গলমহলের এই জেলা খরা কবলিত। আষাঢ়েও বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে পদ্ধতি মেনে সামাজিক বনসৃজনের কাজ কবে থেকে শুরু করতে পারব কে জানে! তাই প্রকৃতির নিজের ইচ্ছেমতো জঙ্গল সৃষ্টিতে আমরা ‘সিড বল’ বানাচ্ছি। রুখা ভূমিতে এই বল ছড়িয়ে দিলেই সেখানে আর্দ্রতায় থাকা বীজ মাটির সঙ্গে মিশে গাছের জন্ম দেবে। এই ভাবেই গড়ে উঠবে জঙ্গল।”

[ জঙ্গলমহলে পালিত হুল দিবস, সাঁওতালি ভাষায় আন্দোলনের ইতিহাস শোনালেন জেলাশাসক]

Advertisement

কিন্তু, এই ‘সিড বল’ ঠিক কি? সাধারণ মাটির সঙ্গে চারকোলের গুঁড়ো মিশিয়ে ছোট-ছোট মাটির দলাতে তিনটি বীজ রেখে তৈরি করা হবে এই বল। এই বলই পতিত জমিতে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। তারপর সেই মাটির দলা জমিতে মিশে এক একটি গাছ নিয়ে তৈরি হবে জঙ্গল। বৃক্ষজগতের এই বিষয়কে বি়জ্ঞানের ভাষায় বলে ‘অ্যাসোসিয়েটেড সাকশেসন’। তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে বর্ষার মরশুমে সামাজিক বনসৃজনের কোনও মিল নেই। পুরুলিয়া বিভাগের ডিএফও রামপ্রসাদ বদানা বলেন, “সামাজিক বনসৃজনের ক্ষেত্রে মাটি কেটে গর্ত খুঁড়তে হয়। তারপর একটি দূরত্ব বজায় রেখে গাছ লাগানো হয়। কিন্তু এই বিষয়টি একেবারেই আলাদা। কোটশিলা বনাঞ্চল পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে এই কাজ করছে। তবে এখানকার তৈরি ‘সিড বল’ অযোধ্যা বনাঞ্চলেও ছড়ানো হবে।” এক-একটি ‘সিড ব্যাগ’-এ পাঁচশোটি করে ‘সিড বল’ তৈরি করে  রাখছে পার্বতী ও বিপত্তারিনী মহিলা সমিতি নামে স্বনির্ভর দল। ব্যাগ প্রতি আয়ও পাঁচশো টাকা। সোনাঝুরি, নিম, তেঁতুল, বেল, খেজুর, করম, জাম বীজ রাখা হচ্ছে এই ‘সিড বল’-এ। 

ছবি: অমিত সিং দেও

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.