৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: পয়সা খরচ করে আর নার্সারি থেকে কিনতে হবে না। বাড়িতে বসেই পেয়ে যাবেন বকুল, টেকোমা, রঙ্গনের মতো বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ। রাজ্যে সবুজায়নের লক্ষ্যে মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় বিনামূল্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চারাগাছ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনদপ্তর। এই কর্মসূচি পালিত হবে আগামী ১৯ জুলাই। একদিনে বহরমপুর ও কৃষ্ণনগর শহরেই কমপক্ষে ১০ হাজার চারাগাছ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: ছেলের অন্নপ্রাশনে মহৎ উদ্যোগ, নিমন্ত্রিতদের মেহগনি গাছের চারা উপহার দম্পতির]

গত ১৪ জুলাই জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে বন মহোৎসবের সূচনা হয় মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায়। উৎসব চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। এক সপ্তাহ ধরে সবুজায়নের লক্ষ্যে দুই জেলাতেই বেশ কয়েকটি ভাগে চারাগাছ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনদপ্তর। জানা গিয়েছে, বনদপ্তরের আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে চারাগাছ তুলে দেবেন। এক একজন বিনামূল্যে পাঁচটি করে চারাগাছ সংগ্রহ করতে পারবেন। একশোটি করে গাছ দেওয়া হবে স্থানীয় ক্লাব, পঞ্চায়েত, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, এমনকী থানাকেও। আর বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ হাজারটি গাছ। সেই গাছ অবশ্য সংরক্ষণ করবে বনদপ্তরই। শুধু তাই নয়, কর্তৃপক্ষ যদি চায়, তাহলে স্কুলেও চারাগাছ সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনদপ্তর।

বনদপ্তর সূত্রে খবর, কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুল, তেহট্ট হাইস্কুলের মতো বেশ স্কুল পড়ুয়াদের দেওয়ার জন্য বনদপ্তর থেকে চারাগাছ সংগ্রহ করেছে। জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলিকে বিতরণের জন্য দশ হাজার চারাগাছ চেয়ে বনদপ্তরের কাছে আবেদন জানিয়েছে নদিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদও। সবুজায়ন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে আঁকা প্রতিযোগিতা, বিতর্কসভারও আয়োজন করা হয়েছে। নদিয়া-মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের বন আধিকারিক রানা দত্ত জানিয়েছেন, প্রথম দফায় বহরমপুর ও কৃষ্ণনগর শহরকে এই অভিনব কর্মসূচির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর আরও বড় করে এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

[আরও পড়ুন: লক্ষ্য জল সংরক্ষণ, ১০০ দিনের প্রকল্পে নার্সারিতে গাছের চারা তৈরি পূর্ব বর্ধমানে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং