Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

২১ জুলাই তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন গ্রন্থাগার মন্ত্রী, যোগদান বিজেপিতে

ফাটল ধরল তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৮, ২১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৮, ২১:৪৯

options
link
২১ জুলাই তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন গ্রন্থাগার মন্ত্রী, যোগদান বিজেপিতে zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: ২১ জুলাইয়ের দিনই ফাটল ধরল তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে। বালুরঘাটে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগদান করলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন গ্রন্থাগার মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরী-সহ কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক। এছাড়া দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি নীলাঞ্জন রায়ও যোগ দিলেন বিজেপিতে। বড়সড় দলবদল নিয়ে উত্তাল জেলার রাজনীতি। জানা গিয়েছে, একদিকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে কংগ্রেস জেলা সভাপতি নীলাঞ্জন রায় বিজেপিতে যোগদান করেছেন। অন্যদিকে উত্তর দিনাজপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী লোকসভার টিকিট পেতে বিজেপিতে এসেছেন।

দীর্ঘদিন ধরেই দলবদল নিয়ে গুঞ্জন চলছিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা রাজনীতিতে। শনিবার বিকেলে বালুরঘাটের একটি অনুষ্ঠান ভবনে আনুষ্ঠিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন দক্ষিণ দিনাজপুর কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নীলাঞ্জন রায়, উত্তর দিনাজপুরের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা আবদুল করিম চৌধুরী ও তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি বিপ্লব মণ্ডল। তাঁদের সঙ্গে সিপিএম থেকে নিরোদ দাস-সহ বামফ্রন্ট ও তৃণমূল থেকে বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী বিজেপিতে যোগ দেন। এদিন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের  হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজপির সর্ভভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য নেতা মুকুল রায়-সহ অন্যান্য রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব।

Advertisement

৫ টাকাতেই হাসপাতালে মিলবে সবজি ভাত, রামপুরহাটের যুবকদের উদ্যোগকে কুর্নিশ ]

বিজেপিতে যোগদানকারী নীলাঞ্জন রায় জানান, কংগ্রেসের বিভিন্ন সংগঠন থেকে এদিন প্রায় ৩ হাজারজন বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তবে বিজেপিতে যোগদান করলেও অধীর চৌধুরীকেই নিজের পথপ্রদর্শক হিসেবে মানবেন তিনি। তাঁর নেতা তিনিই থাকবেন। জেলা ও প্রদেশে তাঁদের কর্মীরা হেনস্তা, খুন হলেও কেন্দ্রীয়  নেতৃত্ব তৃণমূলের সঙ্গে আপস করে চলেছে।  রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে এই দলবদল বলে জানান নীলাঞ্জনবাবু। 

প্রাক্তন গ্রন্থাগার মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরীর জানান, তাঁর নতুন দল বাংলা বিকাশ কংগ্রেস এনডিএ শরীক দল হিসেবে থাকতে চায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি জেহাদ ঘোষণা করেছেন।  দীর্ঘদিন ধরে তিনি জন প্রতিনিধি। সেই ধারাকে বজায় রাখতে চান তিনি। এবারে লোকসভার টিকিট পেতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আবেদন করেছেন তিনি। 

বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের প্যান্ডেল ভেঙে পড়লেও বাংলার পুলিশ আধিকারিকরা এগিয়ে আসেননি। ঘটনার আগেই তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে গায়েব হয়ে যান। এদিকে প্যান্ডেল ভেঙে পরলেও সাধারণ মানুষ সেখান থেকে সরে যাননি। উঠে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা শুনেছেন। কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী-সহ বিরোধীরা সব একজোট হয়ে ভোট দেন। সেখানে দেখা যায় অর্ধেক ভোটও বিরোধীরা পায়নি। এতে নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উচ্চতা ১১ ফিট থেকে ২১ ফিট হয়ে গিয়েছে। 

একুশের সমাবেশে যাওয়া গাড়ির ধাক্কায় মৃত দম্পতি, আহত ১ ]

এদিন ২১ জুলাই তৃণমূলের সভাকে ঘিরে তার মন্তব্য,  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  মঞ্চে উঠলেও ময়দান ফাঁকাই ছিল। আগামিদিনের বাংলা ভারতীয় জনতা পার্টির বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এও বলেন, মা মাটি মানুষ বলে বাংলাকে ঠকানোর পালা শেষ। পিছন থেকে ছুরি মারাই মমতার নীতি। অটল বিহারী বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন  সিপিএমের মারের হাত থেকে বাঁচতে মমতাজি বাজপেয়ীজির শরণাপন্ন হন। বাজপেয়ী মমতার আবেদনে হাত বাড়িয়ে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন। সেই অটল বিহারীকেই পিছন থেকে ছুরি মারেন  মমতা।

শনিবার বালুরঘাটে বিজেপির দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে এভাবেই মমতা ব্যানার্জীকে আক্রমণ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক তথা পশ্চিম বংগের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ছুরি মারা প্রসঙ্গে তিনি সভায় উপস্থিত প্রাক্তন তৃনমূল সেকন্ড ইন কমান্ড মুকুল রায়, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা আবদুল করিম এবং ভারতী ঘোষেরও নাম করেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.