Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

হাতির দাঁত পাচারের চেষ্টা বানচাল, হাসিমারায় গ্রেপ্তার অসমের ২ নাগরিক

উদ্ধার হওয়া হাতির দাঁতের আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১১:৩২

options
link
হাতির দাঁত পাচারের চেষ্টা বানচাল, হাসিমারায় গ্রেপ্তার অসমের ২ নাগরিক zoom
Advertisement

রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার:  ফের সীমান্তে এসএসবির জালে ধরা পড়ল চোরা পাচারকারী। এবার আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এলাকা থেকে হাতির দাঁত-সহ ধৃত ২ পাচারকারী। পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া দাঁতগুলি ভুটান পেরিয়ে তিব্বতে চালান করা হত।

[তিনদিন গলায় আটকে মাংসের হাড়, মহিলাকে বাঁচাল সিউড়ির হাসপাতাল]

জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন এসএসবি ৫৩ ব্যাটেলিয়নের জওয়ান ও হ্যামিলটনগঞ্জ রেঞ্জের আধিকারিকেরা। গোপন সূত্রে তাঁরা খবর পান যে ওই এলাকা দিয়ে একটি গাড়িতে করে হাতির দাঁত পাচার করা হবে৷ রাতে হাসিমারায় একটি গাড়ি দেখে আধিকারিকদের সন্দেহ হয়। প্রথমে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের কথায় অসংগতি মেলায় গাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে চারটি হাতির দাঁত। এরপরই হাতির দাঁত পাচারের অভিযোগে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন আধিকারিকরা। ধৃতরা হল বাবু ফাংচো ও চন্দ্র ইংতি। জানা গিয়েছে, তারা অসমের কার্বিআংলং জেলার বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তাদের কাছ থেকে হাতির দাঁত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া হাতির দাঁতের আনুমানিক বাজারদর কয়েক কোটি টাকা। পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজ পেতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

[আদালতের রায়ে ভিটেহারা, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই অশীতিপর বৃদ্ধার]

ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে,  মূলত তিব্বতে পাচারের জন্য অসম থেকে এই রাজ্যে আনা হয়েছিল হাতির দাঁতগুলি। এরপর ভারত-ভুটান সীমান্ত পেরিয়ে তিব্বতে পাচার করা হত সেগুলিকে। পুলিশ সূত্রে খবর,  দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-ভুটান সীমান্তকে বন্যজন্তুর দেহাংশ পাচারের জন্য ব্যবহার করে চোরা পাচারকারীরা। চোরাপাচার রুখতে বরাবরই ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশের তরফে জোর দেওয়া হয়েছিল৷ তবে এত কড়াকড়ি সত্ত্বেও রোখা যাচ্ছে না বন্যপ্রাণীর দেহাংশ পাচার। প্রায়ই সীমান্ত থেকে বন্যপ্রাণীর দেহাংশ-সহ পুলিশের জালে ধরা পড়ছেন চোরা পাচারকারীরা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.