দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: অভিনব কায়দায় ব্যাংক জালিয়াতি (Bank Fraud)। গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ নকল করে অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছিল জালিয়াতরা। এই কাজের জন্য সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে তারা ডেরা বেঁধেছিল হুগলির চুঁচুড়ায় (Chinsura)। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। চুঁচুড়া থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৪ জন। তাদের গ্রেপ্তারিকে বড়সড় সাফল্য বলে মনে করছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। সোমবার তাদের আদালতে পেশ করা হবে।
পুলিশ সূ্ত্রে খবর, গ্রাহকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে আচমকাই টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে, বারবার এমন অভিযোগ আসছিল চন্দননগর (Chandannagar)পুলিশ কমিশনারেটের কাছে। চুঁচুড়া থানার পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্তে নেমে রীতিমতো বিস্মিত দুঁদে গোয়েন্দারা। এমন অভিনব কায়দায় জালিয়াতির নজির এই প্রথম! কীভাবে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি করত তারা? জানা গিয়েছে, বিভিন্ন দলিলে থাকা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ (Fingerprints)নকল করত প্রতারকের দল। তারপর তা ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকে পড়ত তারা। সেখান থেকে চলত লুটপাট। বড়সড় অঙ্কের টাকা তোলা না হলে গ্রাহকরা সহজে বুঝতেও পারতেন না।
[আরও পড়ুন: পাখির চোখ উত্তরাখণ্ডের বাঙালি ভোট, প্রচারে উদ্বাস্তু আবেগ উসকে দিলেন মোদি]
চুঁচুড়া থানার পুলিশ আরও জানতে পারে, এই কায়দায় জালিয়াতি চালানো গ্যাংটি আসলে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)। কিন্তু এই কাজের জন্য তারা উত্তরপ্রদেশ থেকে পালিয়ে চলে আসে হুগলিতে। চুঁচুড়ায় ঠাঁই নিয়ে চলছিল যাবতীয় বেআইনি কাজকর্ম। চুঁচুড়া থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের নাম – প্রদীপ সাহানি, মনোজ কুমার, শিবম গুপ্ত এবং শ্রীবাস্তব। এরা সকলে গোরক্ষপুর ও কুশিনগরের বাসিন্দা। চুঁচুড়ায় তারা কতদিন ধরে থাকছিল, কী পরিচয়ে থাকত, এখান থেকে ক’টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কত টাকা হাতিয়েছে তারা, এসব বিষয় জানার চেষ্টা চলছে তাদের জেরা করে। মনে করা হচ্ছে, এর পিছনে বড়সড় জালিয়াত চক্র রয়েছে।
[আরও পড়ুন: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ল ডাম্পার, শিশু-সহ মৃত ২, উত্তপ্ত মেচেদা]
সর্বশেষ খবর
-
যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছে তারা সবাই ‘বাঙালি’
-
‘নেতানিয়াহুকে জাহান্নামে পাঠাব’, নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকার উপর হামলার হুমকি ইরানের
-
জলরোষে ২০ বছর আগে মৃত্যু ৫ যুবকের, বিধ্বস্ত নেপাল ফেরাল পুরুলিয়ার ডাউরি খালের স্মৃতি
-
পুজোয় টইটইয়ের প্ল্যান? কলকাতার কাছেপিঠেই রয়েছে অপরূপ বিস্ময়, রইল ৫ গন্তব্যের খোঁজ
-
একাধিক তথ্যে অসঙ্গতি! সরল প্রকাশক, ভারতে প্রকাশিত হবে না সোনিয়ার ‘স্মৃতিকথা’?