Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬

শিয়ালের হানায় জখম ছয়, আতঙ্কে কাঁপছে নদিয়ার হোগলবেড়িয়া

এলাকা পরিদর্শন করেছেন বন দপ্তর ও প্রশাসনের আধিকারিকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৮, ১৪:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৮, ১৪:৪৬

options
link
শিয়ালের হানায় জখম ছয়, আতঙ্কে কাঁপছে নদিয়ার হোগলবেড়িয়া zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, তেহট্ট : শেয়ালের কামড় খেয়ে গুরুতর জখম ছয়জন। সোমবার ভোরে এমন ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার হোগলবেড়িয়া থানার সুন্দলপুর, রায়নগর ও পোড়াঘাটি গ্রাম এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় মণ্ডল ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, প্রথম ঘটনাটির খবর আসে রায়নগর উত্তরপাড়া থেকে। সেখানে সন্তোষ মণ্ডলের বাড়ির গোয়ালের দুটো গরুকে এদিন ভোরবেলায় একটি শেয়াল কামড়াচ্ছিল। গরুগুলির অস্বাভাবিক ডাক শুনে শেয়ালটিকে তিনি তাড়ানোর চেষ্টা করেন। তখন শেয়ালটি তাঁর হাতে কামড়ে দেয়। তাঁর চিৎকারে ছেলে সঞ্জয় মণ্ডল বাঁশ নিয়ে তাড়া করলে শেয়ালটি তাঁর উপরে ঝাঁপ দিয়ে ডান হাতের বুড়ো আঙুলে কামড়ে দেয় । চিৎকার চেঁচামেচিতে সন্তোষ মণ্ডলের ভাগনে সুভাষ রায়-সহ বেশ কয়েকজন শেয়ালটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে, সেই সময় সুভাষবাবুকেও কামড়ে দেয় জন্তুটি।

[ সরষের পরিবর্তে তিল থেকেই হচ্ছে তেল, পুলিশের জালে ব্যবসায়ী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন সকালেই সুন্দলপুর গ্রামের বুদ্ধদেব মণ্ডল স্থানীয় হাটে বিক্রি করার জন্য জমি থেকে শাক তুলতে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তাঁকেও কামড়ায় শেয়ালটি। এর কিছুক্ষণ পরে খবর আসে হরেকৃষ্ণপুর কলোনি পাড়ার ৬৫ বছর বয়সি মহিলা গুরুভবানী মণ্ডল তাঁর স্বামীর সঙ্গে জমিতে শিম তুলতে যাচ্ছিলেন। এমন সময় শেয়াল তাঁকে আক্রমণ করে মুখ ও শরীরের নানা অংশের মাংস খুবলে খেয়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় করিমপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর কৃষ্ণনগরে পাঠানো হয় জখম মহিলাকে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই মহিলাকে কল্যাণী হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সকাল আটটা নাগাদ ফের নৃপেন মণ্ডলকে শেয়ালটি আক্রমণ করে। শনিবার তাঁর ছেলের জন্মদিন ছিল। বাড়িতে অনেক আত্মীয়স্বজন থাকায় থেকে কপি, মুলো-সহ একাধিক সবজি তুলতে নিজের জমিতে যাচ্ছিলেন। এমন সময় শেয়াল তাঁকে আক্রমণ করে৷ তাঁর মুখে ও শরীরের নানা অংশে কামড়ে গুরুতর জখম করে। চিৎকার চেঁচামেচি করলে প্রতিবেশীরা এসে শেয়ালটিকে তাড়া করে। ইটের আঘাতে ঘটনাক্রমে শেয়ালটি মারা যায়। শুধু একটি শেয়াল কামড়াচ্ছে নাকি আরও অন্যান্য শেয়াল এলাকায় ঢুকেছে, তা বুঝতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।  ঘটনার কথা শুনে পুলিশ ও বন দফতরের লোকেরা এলাকায় এসেছেন। কীভাবে এলাকায় শেয়ালের উপদ্রব কমানো যায় সে বিষয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে কথাও বলছেন তাঁরা। পুলিশ গ্রামের মানুষের আতঙ্কের কথা ভেবে বন দফতরকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

[ পর্যটনে জোয়ার আনতে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিতে সংরক্ষণশালা তৈরির ভাবনা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.